
The Truth Of Bengal : কথায় বলে প্রেমের কোন বয়স হয় না। প্রেম মানে না কোন সম্পর্কের বাধা ধরা নিয়ম। তা আবারও একবার প্রমাণ করে দেখালেন উত্তরপ্রদেশের মোরাদাবাদে বসবাসকারী বাসিন্দা। মেয়ে বড় হওয়ায় মেয়ের বিয়ে দিয়েছিলেন মা। আর সেই মা ই এখন খাচ্ছেন জামাই এর প্রেমে হাবুডুবু। তবে জামাইও কিছু কম জান না। শাশুড়ির মনের কথা বোঝে শুরু হয় প্রেম পর্ব। শেষ পর্যন্ত প্রেমের টানে জামাইয়ের হাত ধরে পালিয়ে গেলেন খোদ শাশুড়ি। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের মোরাদাবাদে।
জানা যায়, কুন্দরকি এলাকার বছর চল্লিশের এর বাসিন্দা তার মেয়ের বিয়ে দিয়েছিলেন। জামাই ছিল তার থেকে ১৩ বছরের ছোট। কিছুদিন যেতে না যেতে খোজ শাশুড়ি প্রেমে পড়েন জামাইয়ের। আর শাশুড়ির মনের কথা জানতে পেরে প্রেমের হাত বাড়িয়ে দেন জামাইও। স্ত্রীকে ছেড়ে শাশুরের সঙ্গে শুরু হয় ফোনে প্রেমালাপ। শাশুড়ির সাথে দেখা করার জন্য বারবার নিজের স্ত্রীকে শ্বশুরবাড়ি ঘুরতে নিয়ে আসার নাম করে দেখা করতেন জামাই-শাশুড়ি। মেয়ে, নাতি নাতনি সবাইকে ভুলে অবৈধ সম্পর্কের মজেন দুজনেই।
দুজনে ঠিক করেন এবার আর প্রেম নয় একেবারে বিয়ে করেই সংসার পাততে চান তারা। কিন্তু বাড়ির লোক জানতে পারলে তো কেউ এই সম্পর্ক কোনদিনও মেনে নেবে না। তাই কোন পথ না পেয়ে অবশেষে ব্যাংকে যাওয়ার নাম করে বাড়ি থেকে পালিয়ে গেলেন শাশুড়ি-জামাই। জামাইয়ের বাইকের পেছনে বসে বেরোনোর পর আর বাড়ি ফিরলেন না দুজনেই। এদিকে ঘন্টার পর ঘন্টা বাড়ি না ফেরায় স্বাভাবিকভাবেই সন্দেহ হয় শ্বশুরের। অবশেষে শুরু করেন খোঁজ খবর নেওয়া। দীর্ঘক্ষণ এদিক-ওদিক খোঁজ চালানোর পরেও খোঁজ না মেলায় অবশেষে থানার দারুস্র হন শ্বশুর। নিজের স্ত্রী এবং জামাইয়ের নামে নিখোঁজ হওয়ার লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। ইতিমধ্যে সম্পূর্ণ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এদিকে গোটা গ্রামে এখন চর্চার কেন্দ্র বিন্দু শাশুড়ি-জামাইয়ের প্রেম।






