বিনোদন

Madhuri Dixit: ‘পুরুষতান্ত্রিক ফিল্মিদুনিয়া’য় সমতার পক্ষে এবার সওয়াল করলেন মাধুরী দীক্ষিত

চর্চিত ইস্যুর মাঝেই এবার নারীদের পারিশ্রমিক বৃদ্ধির পক্ষে সওয়াল করলেন বলিউডের কিংবদন্তী অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিত।

Truth of Bengal: সিনেমা জগতে নায়ক-নায়িকাদের পারিশ্রমিকের ক্ষেত্রে বৈষম্য বহু পুরনো একটি সমস্যা। প্রায়শই অভিযোগ ওঠে যে, পুরুষ অভিনেতাদের তুলনায় অভিনেত্রীদের পারিশ্রমিকের মাত্রা অনেক কম। শুধু পারিশ্রমিকই নয়, সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রেও নারীরা পিছিয়ে থাকেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি এই বিতর্ক আরও জোরালো হয়েছে যখন অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন দৈনিক আট ঘণ্টার শুটিং শিফটের দাবি তুলে ‘পুরুষতান্ত্রিক ফিল্মিদুনিয়া’কে চ্যালেঞ্জ জানান। সেই চর্চিত ইস্যুর মাঝেই এবার নারীদের পারিশ্রমিক বৃদ্ধির পক্ষে সওয়াল করলেন বলিউডের কিংবদন্তী অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিত।

বেতন বৈষম্য নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মাধুরী দীক্ষিত স্পষ্ট মন্তব্য করেন, “শুধু ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি নয়, বেতন বৈষম্য প্রতিটা কর্পোরেট সেক্টরেই দেখা যায়।” বলিউডের ব্লকবাস্টার নায়িকা হিসেবে তিনি অনিল কাপুর, সঞ্জয় দত্ত থেকে শুরু করে শাহরুখ, সলমন, আমির খানের মতো প্রথম সারির অভিনেতাদের সঙ্গে কাজ করেছেন। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই মাধুরী যোগ করেন, “পারিশ্রমিক নিয়ে এমন বৈষম্য চিরকালের। দীর্ঘদিন ধরেই সকলে এর জন্য লড়ছেন আর এটাই বলার চেষ্টা করছেন যে, নায়িকাদেরও পারিশ্রমিক বাড়ানো উচিত। আমি বলছি না, পুরুষদের থেকে বেশি পারিশ্রমিক দিতে হবে, কিন্তু কোথাও একটা সমতা বজায় রাখা দরকার জানেন তো।”

দীপিকা পাড়ুকোনের দৈনিক আট ঘণ্টার শুটিং শিফটের দাবির বিষয়েও নিজস্ব মতামত ব্যক্ত করেছেন মাধুরী। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন তাঁর নিজের কাজের অভিজ্ঞতা। মাধুরী বলেন, “‘মিসেস দেশপাণ্ডে’ ছবিতে অভিনয় করার সময়ে আমরা প্রতিদিন ১২ ঘণ্টার শিফটে কাজ করতাম। তার থেকে বেশিও হতে পারে… তাই আমার মনে হয়, প্রত্যেকের নিজস্ব মতামত রয়েছে। আমি যেমন ভীষণ কাজপাগল মানুষ। আমি বিষয়টাকে অন্যভাবে দেখি।”

তবে একইসঙ্গে দীপিকার এই সাহসিকতার প্রশংসা করে তিনি বলেন, “কিন্তু যদি কোনো নায়িকা অনায়াসে এটা বলতে পারেন যে, ‘আমি এত ঘণ্টাই কাজ করতে চাই’, তাহলে বুঝতে হবে তাঁর মধ্যে সেই ক্ষমতাটা রয়েছে। সেই নায়িকার জন্য আরও শক্তি কামনা করলাম।” মাধুরী দীপিকার দাবির সঙ্গে সহমত পোষণ করে বলেন যে, কাজের সময়সীমা বেছে নেওয়া প্রত্যেকের ব্যক্তিগত অধিকার এবং কাউকে নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিয়ে জোর করা উচিত নয়।

Related Articles