The Truth of Bengal: বাংলার সবচেয়ে বড় উৎসব ,শারদ উৎসব, সেই উৎসবের প্রাক্কালে তন্তুজ বাংলার হস্ত তাঁত চালিত শিল্পীদের হাতে বোনা বেশ কিছু নতুন ডিজাইনের নকশাদার শাড়ি নিয়ে এলো। দীর্ঘদিন ধরে তন্তুজের ডিজাইন এবং গবেষণা বিভাগ ,বর্তমান প্রজন্ম ও বাজারের চাহিদা মাথায় রেখে বিভিন্ন বিষয় বিশ্লেষণ করে চূড়ান্ত করেছেন। অনেকগুলির মধ্যে থেকে ছটি বাজারে আসার জন্য নির্বাচিত হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন অনুষ্ঠান উপযোগী উভেন সিল্ক এর অত্যাধুনিক ডিজাইনের দুটি শাড়ি সিল্ক মার্ক স্বীকৃতি সহ নতুন ডিজাইনের মনমুগ্ধকর শাড়ি গুলি বাজারে নিয়ে এলো তন্তুজ। ৮ থেকে ২৮সেপ্টেম্বর সল্টলেক বই মেলা প্রাঙ্গণে ,বাংলার তাঁতের হাট এ মিলবে এবারের নতুন শাড়ি গুলি তন্তুজ এর স্টলে। এছাড়াও তন্তুজ এর রাজ্যের মধ্যে ৬৭ টি এবং ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে ১৭টি এক্সক্লুসিভ শোরুম এ ও মিলবে অন্যান্য বস্ত্র সামগ্রীর সঙ্গে নতুন এই শাড়ি গুলি। শাড়ি গুলির বিশেষ বৈশিষ্ট্য গুলি হল জিওমেট্রিক প্যাটার্ন, প্রাকৃতিক ফেব্রিক থেকে তৈরি, পরিবেশবান্ধব রং ব্যবহার করা হয়েছে যা প্যাস্টেল সেড এ প্রতিফলিত।
বাজারে আসা ছটি নতুন শাড়ি গুলির মধ্যে দাবার ছক, বিভিন্ন ভঙ্গিমায় বক সহ অন্যান্য পাখি, চারা গাছের বিভিন্ন চিত্র ফুটে উঠেছে। মোট ছয় ধরনের শাড়ি প্রতিটি চার রকম মন ছুঁয়ে যাওয়া রং এ পাওয়া যাবে। এই নতুন শাড়িগুলির নামকরণ করেছেন তন্তুজের স্পেশাল অফিসার এবং রাজ্যের প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। শাড়ি গুলি মূলত নদীয়ার ফুলিয়া, শান্তিপুর, বেথুয়াডহরী ও বর্ধমানের হস্ত চালিত তাঁতীদের দ্বারা তৈরি। শাড়ি গুলির নাম দেওয়া হয়েছে বলাকা, সহচরী, চতুরঙ্গ ,স্বপ্নীল , বনবালা, মুক্তবিহঙ্গ। এই প্রসঙ্গে দুর্গাপূজো তথা শারদ উৎসবের প্রাক্কালে তন্তুজের বাজারে আসা এই নতুন শাড়ি গুলি এবং বাংলার তাঁতের হাট এ তন্তুজ এর পরিকল্পনা এবং কর্মসূচি বিশদে তন্তুজ এর ম্যানেজিং ডাইরেক্টর রবীন্দ্রনাথ রায়মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে এবং পরিকল্পনা য় নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত সাধারণ মহিলাদের কথা মাথায় রেখে “বাংলার শাড়ি” চালু হয়েছে।
সম্প্রতি বিশ্ব বাংলা মিলনমেলা প্রাঙ্গণে বাংলার শাড়ি র সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং।পূর্ব মেদিনীপুরের নিউ দীঘা ও দক্ষিণ কলকাতার দক্ষিণাপনে বাংলার শাড়ি শোরুম এর সঙ্গে তৃতীয় শোরুম টি চালু হল আলিপুরের ধনধান্য প্রেক্ষাগৃহের এক তলায়। উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ।সঙ্গে ছিলেন পুর ও নগর উন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, তন্তুজের আধিকারিক অসিতবরন মাইতি ও অরূপ অধিকারী।বাংলার শাড়ী র এই এক্সক্লুসিভ শোরুম গুলোতে সাড়ে ৩০০ টাকা থেকে শুরু করে দশ হাজার টাকা মূল্যের শাড়ি এবং ড্রেস মেটেরিয়াল মিলবে মহিলাদের জন্য। এই সম্বন্ধে বিস্তারিত বাংলা জাগো কে জানালেন তন্তুজ এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর রবীন্দ্রনাথ রায়। পরবর্তীকালে বিভিন্ন জেলায় বাংলার শাড়ি র ফ্রাঞ্চাইসীও দেওয়া হবে বলে তিনি জানালেন আসন্ন উৎসবের মরশুমে তন্তুজ এর এই অত্যাধুনিক এবং অভিনব শাড়িগুলি ডিজাইন সচেতন পোশাক প্রেমী গ্রাহকদের মন জয় করে নেবে এ কথা বলাই যায়।






