কলকাতা

ঘরের মানুষ হয়ে ওঠার চেষ্টা, পথে পথে প্রচারে দলীয় প্রার্থীরা

Election campening

The Truth of Bengal: গরমের উত্তাপকে উপেক্ষা করেই মাঠে-ময়দানে নেমে প্রচার করছেন প্রার্থীরা।বারুইপুরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা নিয়ে পাড়ায় পাড়ায় প্রচার করেন সায়নী ঘোষ।বারুইপুরের উত্তরভাগ-বৃন্দাখালি পায়ে হেঁটে প্রচার করেন সৃজন ভট্টাচার্য।ব্যারাকপুরে জনসংযোগ সারেন অর্জুন সিং। বিজেপিকে কড়া চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে প্রচারে ঝড় তোলেন পার্থ ভৌমিক।বহরমপুরে পিচ শক্ত করতে মাটি কামড়ে লড়ছেন তৃণমূলের ইউসুফ পাঠান।

তাপমাত্রা ৪০ডিগ্রির আশেপাশে রয়েছে।আবহাওয়ার উত্তাপকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে প্রার্থীদের প্রচার চলছে জোরকদমে। পরস্পরকে টেক্কা দেওয়ার জন্য ময়দানে জীবন -পণ করে লড়ছেন সবপক্ষ। প্রতিপক্ষকে টেক্কা দেওয়ার জন্য সবশিবিরই জনতার আদালতে।মানুষের রায় নেওয়ার আগে চলছে,সমর্থনের পালে হাওয়া তোলার।রাজ্যের অন্যতম সম্ভ্রান্ত কেন্দ্র, যাদবপুর। শহর ছাড়িয়ে সবুজেমোড়া বিস্তীর্ণ অংশের গ্রাম রয়েছে এই লোকসভা কেন্দ্র।৭বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে রয়েছে  বারুইপুর পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্র।সেখানেই সপ্তাহের প্রথম দিন ঘরে ঘরে ঘাসফুলের সমর্থন বাড়ানোর চেষ্টা করেন সায়নী ঘোষ।বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্যে দিয়ে পাড়ায় পাড়ায় চলে প্রচার। আবহাওয়ার উত্তাপ আঁচ করে  প্রবীণ মহিলারা কেউ  বাড়িয়ে দেন ডাব, পেপসি বা বরফগলা জল।তৃষ্ণা মিটিয়ে তৃণমূলের তরুণ তুর্কি চেষ্টা করেন ঘরের মেয়ে হয়ে ওঠার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের কাজ আর সাংগঠনিক শক্তির জোরে যাদবপুরের মানুষ তাঁকে জয়ীর শিরোপা তুলে দেবে বলে বিশ্বাসী এই তৃণমূল প্রার্থী।

সায়নীর সঙ্গে পাল্লা দিতে সকাল –সন্ধ্যার মতো দিনের আলোয় প্রচারে থাকছেন সিপিএম প্রার্থী সৃজন ভট্টাচার্য।মানুষের সঙ্গে কথা বলে তিনি বুঝতে পারেন,লক্ষ্ণীর ভাণ্ডারের জনপ্রিয়তাকে টক্কর দেওয়া সিপিএমের পক্ষে সম্ভব নয়।তাই ভোট বাক্সে কাস্তে হাতুড়িতে শান দিতে সৃজনের প্রতিশ্রুতি লক্ষ্নীর ভাণ্ডার দ্বিগুণ করে দেবে বামেরা।  রাজ্যের সমালোচনা আর বিজেপির সাম্প্রদায়িক নীতিকে কটাক্ষ করছেন তিনি।হাসিমুখে সববয়সের মানুষের মনে পৌঁছে যাওয়ার চেষ্টাও করছেন সৃজন।একার দৌ়ড়ে যে সিপিএম ভোটের লক্ষ্যভেদ করতে পারবে না,তা টেরও পাচ্ছেন তিনি।তাই কংগ্রেসের হাত ধরার ডাক লালব্রিগেডের ছাত্রনেতা তথা এই প্রার্থীর।

কলকাতার মতোই জেলাতেও জমে উঠেছে প্রচার।ব্যারাকপুরে লক্ষ্যভেদে অর্জুন অনড়।বারবার শিবির বদল করায় তাঁর সমর্থনের ভিত আলগা হয়েছে বলে সমালোচকরা বলছেন। দলবদলের জার্সি গায়ে নিয়ে অর্জুন শিল্পাঞ্চলে কিছু করতে পারবে না বলে বারবার তোপ দাগছেন তৃণমূল নেতৃত্ব।সোমবার মনোনয়ন জমা দেন পার্থ ভৌমিক।বড় কাজের আগে বড়মায়ের কাছে আর্শীবাদ প্রার্থনা চান তিনি। বহরমপুরে  সেভাবে কোন ক্রিকেট অ্যাকাডেমি গড়ে ওঠেনি,তাই জিতলে  প্রতিভাবান  ছেলে মেয়েদের জন্য ক্রিকেট অ্যাকাডেমি গড়ার আশ্বাস দিচ্ছেন তিনি।জাতীয় রাজনীতির রণাঙ্গণে নানা রংয়ের সমাবেশ কার্যতঃ লোকসভার লড়াইকে আলাদা মাত্রা দিচ্ছে বলা যায়।

Related Articles