বহুজাতিক সংস্থার দাপট, ধুঁকছে পুরনো বেকারিগুলি…
The original bakeries are being destroyed by multinational corporations.

The Truth Of Bengal: বড়দিন মানেই কেকের উৎসব। দোকানে দোকানে দেখা মিলছে হরেক রকমের কেক। মোড়ে মোড়ে অস্থায়ী কেকের দোকানে মিলছে নানা কেক। সঙ্গে নানা উপহার সামগ্রী। পসরা সাজিয়ে স্থায়ী-অস্থায়ী দোকানদাররা ব্যবসা করছেন। এখন বহুজাতিক সংস্থার রমরমা। ফলে ধুঁকছে আদি বেকারিগুলি। তাদের এখন টিকে ঠাকার লড়াই।
বড়দিন উপলক্ষে চারিদিকে খুশি রোশনাই। আর সেই বড়দিন মানেই কেকের উৎসব। দোকানে দোকানে পাওয়া যাচ্ছে হরেক রকমের কেক। রাস্তার ধারে অস্থায়ী কেকের দোকানে মিলছে স্বাদের কেক। পসরা সাজিয়ে স্থায়ী-অস্থায়ী দোকানদাররা বিকিকিনি করছেন। এখন বহুজাতিক সংস্থার রমরমা। সুসজ্জিত দোকানে মিলছে নানা কেক। সেইসঙ্গে আছে হোম বেকারিদের ঘরে বসে ব্যবসা। তাই ব্যবসা হারিয়ে ধুঁকছে আদি বেকারিগুলি। তাদের এখন টিকে ঠাকার লড়াই চালাতে হচ্ছে।
একটা সময় এক সপ্তাহ আগে থেকে খুচরো এবং একমাস আগে থেকে পাইকারি বেচাকেনা শুরু হতো। যা এখন শুধুমাত্র তিনদিনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে বহুজাতিক সংস্থার লড়াইয়ে চিনি-ময়দার দাম বৃদ্ধি সত্ত্বেও তাঁরা কেকের দাম বাড়াতে পাচ্ছে না। নদিয়ার রানাঘাট এবং শান্তিপুরের কেক বেশ জনপ্রিয়। সেইসব পুরনো বেকারিগুলি এখনও কোনও রকমে বাঁচিয়ে রেখেছেন ব্যবসা। উৎসবের মরসুমে বেকারিগুলিতে নাওয়া খাওয়া ভুলেছেন কারিগররা। কেকের গন্ধে ম ম করছে কেক তৈরির পাড়া। রানাঘাটের বোগোপাড়া এবং শান্তিপুরের দত্তপাড়া, রথতলা সহ বেশ কয়েকটি এলাকায় বেকারিগুলিতে ব্যস্ততা তুঙ্গে।
বেকারি মালিকদের দাবি, এবার কেকের কাঁচামালের দাম অনেকটাই বেশি। যেমন মাখন, কাজু, কিসমিস, ময়দা এবং মোরব্বা বেশ চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে এবার কেকের দাম কিছুটা বেড়েছে। যদিও তা সাধারণ মধ্যবিত্তের নাগালের মধ্যেই রয়েছে বলে দাবি বেকারিগুলির। তার ওপর বর্তমানে বেশ কিছু বড় কেক কোম্পানি গ্রাম এবং মফস্বলেও তাদের শাখা খুলেছে। তাতে ধাক্কা খাচ্ছে এলাকার বেকারিগুলির ব্যবসা। তবে স্থানীয় বেকারিতে তৈরি কেকের দাম তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় মধ্যবিত্ত বাঙালি এখনও পছন্দ করে সেই কেক। তাই ধুঁকতে থাকলেও উৎসবের জন্য টিকে আছে এই বেকারিগুলি।
Free Access






