ফাইভ-সিক্স পর্যন্ত পড়াশোনা করে এমএ ডিগ্রি! শওকতের ডিগ্রি নিয়ে তদন্তের দাবি
২০২৬ সালের নির্বাচনী হলফনামায় শওকত নিজেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর হিসেবে উল্লেখ করেছেন
Truth of Bengal: এনআইএ-র হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর ফের নতুন অভিযোগের মুখে তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লা। এবার ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের মনোনয়নপত্রে উল্লেখ করা তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতার সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস ওরফে ববি। বিষয়টি খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়ে বারুইপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। ২০২৬ সালের নির্বাচনী হলফনামায় শওকত নিজেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর হিসেবে উল্লেখ করেছেন। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া তাঁর স্বঘোষিত তথ্যের ভিত্তিতে এডিআরের নথিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে ২০২১ সালে রাজস্থানের সিংহানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএ পাশ করার কথা রয়েছে। তবে ওই ডিগ্রির বৈধতা নিয়ে এখনও কোনও সরকারি তদন্তের ফল প্রকাশিত হয়নি।
ববির অভিযোগ, শওকতের বিভিন্ন সময়ের নির্বাচনী নথিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা সংক্রান্ত তথ্যের মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে। তাঁর দাবি, কোনও নথিতে উচ্চমাধ্যমিক পাশের বছর ২০১৪ বলা হয়েছে, আবার অন্য একটি তথ্যে ২০১৬ সালে স্নাতক হওয়ার উল্লেখ রয়েছে। বিধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি কীভাবে নিয়মিত কোর্সে রাজস্থানের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা সম্পূর্ণ করলেন, সেই প্রশ্নও তুলেছেন বিজেপি নেতা। অভিজিৎ দাসের দাবি, শুধু হলফনামার তথ্য যাচাই করলেই হবে না, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শংসাপত্রগুলি আদৌ ইস্যু করা হয়েছিল কি না, ভর্তি ও পরীক্ষার নথি রয়েছে কি না এবং পড়াশোনার পদ্ধতি কী ছিল—সবই তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন। কোনও ভুয়ো শংসাপত্র তৈরির চক্রের সঙ্গে শওকতের যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবিও জানিয়েছেন তিনি। বিজেপি নেতা আরও অভিযোগ করেছেন, এই ঘটনায় তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের ভূমিকা থাকতে পারে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামও টেনেছেন তিনি। যদিও এই দাবির সমর্থনে এখনও কোনও নথি বা তদন্তকারী সংস্থার বক্তব্য সামনে আসেনি। শওকত বা তৃণমূলের পক্ষ থেকেও অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
শওকত ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভাঙড় কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছিলেন। ওই নির্বাচনে তিনি আইএসএফ প্রার্থী নওশাদ সিদ্দিকির কাছে পরাজিত হন। পরে ভাঙড়ের বিস্ফোরণ মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। তবে শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে বিজেপি নেতার তোলা অভিযোগ এখনও প্রমাণিত নয়। পুলিশ অভিযোগ গ্রহণ করে তদন্ত শুরু করেছে কি না কিংবা সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে কোনও তথ্য চাওয়া হয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তদন্তের পরেই শওকতের হলফনামায় দেওয়া তথ্য সত্য না ভুয়ো, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে। বিজেপি নেতা আরও অভিযোগ করেছেন, এই ঘটনায় তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের ভূমিকা থাকতে পারে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামও টেনেছেন তিনি। যদিও এই দাবির সমর্থনে এখনও কোনও নথি বা তদন্তকারী সংস্থার বক্তব্য সামনে আসেনি। শওকত বা তৃণমূলের পক্ষ থেকেও অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। শওকত ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভাঙড় কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছিলেন। ওই নির্বাচনে তিনি আইএসএফ প্রার্থী নওশাদ সিদ্দিকির কাছে পরাজিত হন। পরে ভাঙড়ের বিস্ফোরণ মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। তবে শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে বিজেপি নেতার তোলা অভিযোগ এখনও প্রমাণিত নয়। পুলিশ অভিযোগ গ্রহণ করে তদন্ত শুরু করেছে কি না কিংবা সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে কোনও তথ্য চাওয়া হয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তদন্তের পরেই শওকতের হলফনামায় দেওয়া তথ্য সত্য না ভুয়ো, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।





