বারাসতে পদ ছাড়ার পর কল্যাণীতে শুভেন্দুর বৈঠকে কাকলি, উপস্থিত দুই তৃণমূল বিধায়কও
তাঁর এই উপস্থিতি ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে
Truth of Bengal: কল্যাণীতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে দেখা গেল তাৎপর্যপূর্ণ ছবি। বৈঠকে যোগ দিলেন বারাসতের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে তাঁর এই উপস্থিতি ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। কয়েক দিন আগেই বারাসত সাংগঠনিক জেলার সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তার পর দলের মুখ্য সচেতক বা চিফ হুইপের পদ হারানো নিয়েও সমাজমাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। সেই ঘটনার পর থেকেই তাঁকে ঘিরে দলবদলের জল্পনা তৈরি হয়েছিল। সেই আবহেই মঙ্গলবার কল্যাণীতে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকে তাঁর উপস্থিতি রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
যদিও বৈঠকে যোগ দেওয়া নিয়ে কাকলি ঘোষ দস্তিদার স্পষ্ট জানিয়েছেন, এটি কোনও দলীয় কর্মসূচি নয়। এটি সম্পূর্ণ প্রশাসনিক কর্মসূচি। সেই কারণেই তিনি জনপ্রতিনিধি হিসেবে বৈঠকে উপস্থিত হয়েছেন। তাঁর এই ব্যাখ্যার পরেও রাজনৈতিক মহলে জল্পনা থামছে না। এদিন কল্যাণীতে দলের সাংসদ, বিধায়ক এবং প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠকে বসেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মূলত নদিয়া, হুগলি এবং উত্তর ২৪ পরগনা—এই তিন জেলার প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক কাজকর্ম নিয়ে বৈঠক হওয়ার কথা। বৈঠকে সরকারি আধিকারিকদের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিদেরও ডাকা হয়।
সূত্রের খবর, রাজ্যে পালাবদলের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধী দলের সাংসদ ও বিধায়কদেরও আমন্ত্রণ জানানো হবে। পূর্বতন সরকারের আমলে রাজনৈতিক বয়কটের অভিযোগ উঠলেও নতুন সরকার সেই পথ থেকে সরে এসে প্রশাসনিক বৈঠকে সব দলের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের যুক্ত করতে চাইছে বলেই দাবি করা হচ্ছে। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এদিন কল্যাণীর বৈঠকে তৃণমূলের সাংসদ ও বিধায়কদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়। আমন্ত্রণ পেয়েই বৈঠকে যোগ দেন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। শুধু তিনিই নন, দেগঙ্গা এবং স্বরূপনগরের তৃণমূলের দুই বিধায়কও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।





