এবার এসআইআরের শুনানিতে ডাক পড়ল মথুরাপুরের সাংসদ বাপি হালদারের
এসআইআর সংক্রান্ত নানা অভিযোগ তুলে সিইও দফতরে তৃণমূলের যে প্রতিনিধিদল কয়েকবার গিয়েছে, সেই দলে ছিলেন বাপি হালদারও।
Truth Of Bengal: এসআইআর শুনানিতে হাজিরা দিতে হচ্ছে তৃণমূলের আরও এক সাংসদকে। ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ দীপক অধিকারী (দেব) এবং রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলামের পর এবার নোটিস পৌঁছল মথুরাপুরের তৃণমূল সাংসদ বাপি হালদারের কাছে। এসআইআর সংক্রান্ত নানা অভিযোগ তুলে সিইও দফতরে তৃণমূলের যে প্রতিনিধিদল কয়েকবার গিয়েছে, সেই দলে ছিলেন বাপি হালদারও।
বর্তমান ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ার এই পর্বে নির্বাচন কমিশন বিভিন্ন প্রার্থী ও জনপ্রতিনিধির নথি যাচাই করছে। নির্বাচন কমিশনের একটি সূত্রের খবর, বাপি হালদারের ভোটার সংক্রান্ত নথিতে কিছু অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। সেই কারণেই তাঁকে এই শুনানিতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।
তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হচ্ছে, জনপ্রতিনিধিদের এইভাবে ডেকে তোলা হচ্ছে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ানোর জন্য। তাদের দাবি, নির্বাচন কমিশন বিজেপির সঙ্গে মিলেমিশে কাজ করছে। এসআইআরের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বাপি। তিনি বলেন, “মাউসের একটি ক্লিকে জনপ্রতিনিধিদের সমস্ত তথ্য জানা যায়, তবুও কেন বারবার ডাকাচ্ছে? এটা শুধু ভয় দেখানোর জন্য।”
বাপি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে আক্রমণ করছে। তিনি তফসিলি জনজাতির প্রতিনিধি। তাঁর কথায়, “আমাদের হয়রানি করাই কমিশনের উদ্দেশ্য। কিন্তু তৃণমূলকে এভাবে পেছনে ঠেলতে পারবে না। আমরা চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত।”
এদিকে এসআইআর সংক্রান্ত কাজের জন্য বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশিষ্টজনকে নোটিস পাঠিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছে নির্বাচন কমিশন। তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ অধ্যাপক সামিরুল ইসলামকেও শুনানির নোটিস দেওয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার তিনি নোটিস পাওয়ার কথা জানিয়েছেন। এছাড়া অভিনেতা ও ঘাটালের তিন বারের তৃণমূল সাংসদ দীপক অধিকারী (দেব)-কেও এসআইআর শুনানিতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল, যিনি কমিশনের ডাকে সাড়া দিয়ে শুনানিতে অংশ নিয়েছেন।



