রাজ্যের খবর

Alipurduar BDO Dispute: সরকারি অফিসে দাদাগিরি! ত্রাণ বিতরণ নিয়ে মনোজ টিগ্গা-বিডিওর বচসা

ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, আলিপুরদুয়ারের সাংসদ মনোজ টিগ্গা মাদারিহাটের ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসার (বিডিও)-এর সঙ্গে উত্তপ্ত বাদানুবাদে লিপ্ত হয়েছেন।

Truth of Bengal: ত্রাণ বণ্টন সংক্রান্ত একটি বিষয় নিয়ে আলিপুরদুয়ারের মাদারিহাটের বিডিওর সঙ্গে বচসায় জড়ালেন স্থানীয় বিজেপি সাংসদ মনোজ টিগ্গা। বিডিও দফতরে তাঁর ‘দাদাগিরি’র একটি ভিডিও বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে বিভিন্ন মহলে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, আলিপুরদুয়ারের সাংসদ মনোজ টিগ্গা মাদারিহাটের ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসার (বিডিও)-এর সঙ্গে উত্তপ্ত বাদানুবাদে লিপ্ত হয়েছেন। ত্রাণ বিতরণ সংক্রান্ত কোনো একটি বিষয়ে অসন্তুষ্ট হয়ে সাংসদকে বিডিওর সঙ্গে আঙুল উঁচিয়ে কথা বলতে এবং টেবিল চাপড়ে হম্বিতম্বি করতে দেখা যায়। বিডিও দপ্তরের মতো একটি সরকারি কার্যালয়ে একজন জনপ্রতিনিধির এমন আচরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

আলিপুরদুয়ারের মাদারিহাটের বিডিও অফিসে আচমকাই চড়াও হওয়ার এবং ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসারকে (বিডিও) হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিজেপি সাংসদ মনোজ টিগ্গার বিরুদ্ধে। এই ঘটনার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর প্রশাসনিক অফিসে একজন জনপ্রতিনিধির এমন আচরণ নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।অভিযোগ উঠেছে, বিডিও অফিসে গিয়ে সাংসদ মনোজ টিগ্গা কোনো কথা শুনতে রাজি ছিলেন না এবং বিডিওকে রীতিমতো শাসাতে শুরু করেন। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে সাংসদকে গলা তুলে বলতে শোনা যায়: “বিডিওগিরি করতে চাইলে সেটা করুন, পার্টি করতে চাইলে তৃণমূলের ঝান্ডা ধরুন।” একটি প্রশাসনিক অফিসে গিয়ে একজন সাংসদ এইভাবে একজন সরকারি আধিকারিককে হুমকি দিতে পারেন কিনা, তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠছে। বিডিওর দিকে আঙুল তুলেও তাঁকে রীতিমতো হুমকি দিতে শোনা গিয়েছে বলে অভিযোগ।

বিডিওর অভিযোগ, সাংসদ মনোজ টিগ্গা পরিকল্পনা করেই বিডিও অফিসে এসেছিলেন এবং ‘দাদাগিরি’ করেছেন। সাংসদ তাঁর কোনো কথাই শুনছিলেন না বলে বিডিও জানিয়েছেন। অন্যদিকে, বিডিও শান্তভাবে কথা বলার চেষ্টা করলেও বিজেপি সাংসদ তাতে কর্ণপাত করেননি। বিডিওকে না জানিয়েই ঘটনার ভিডিও রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। সরকারি আধিকারিককে প্রকাশ্যে রাজনৈতিক দল বেছে নেওয়ার এমন হুমকি এবং প্রশাসনিক কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগের কারণে এই ঘটনা নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

Related Articles