হাত বাঁধা অবস্থায় শিশুর দেহ উদ্ধার, হায়দরাবাদে তীব্র চাঞ্চল্য
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাঁর নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।
Truth Of Bengal: হায়দরাবাদে (Hydrabad) ফের এক মর্মান্তিক ঘটনা। সাত বছরের এক শিশুকন্যার নিথর দেহ উদ্ধার হয়েছে বাড়ির ছাদে থাকা জলের ট্যাঙ্ক থেকে। শিশু হুমেইনি সুমাইয়ার দেহটি যখন উদ্ধার করা হয়, তখন তার হাত দু’টি পেছনে বাঁধা ছিল। এই মর্মান্তিক দৃশ্য দেখে সন্দেহের তীব্র আভাস পেয়েছে পুলিশ। নিঃসন্দেহে এটি একটি হত্যাকাণ্ড বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা।
সোমবার থেকে নিখোঁজ ছিল ছোট্ট সুমাইয়া। সে মা-বাবার সঙ্গে দিদিমার বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাঁর নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। তৎপর হয়ে ওঠে পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা। সারা রাত ধরে চলে খোঁজ, তবুও শিশুটির সন্ধান মেলেনি।(Hydrabad)
বুধবার দুপুরে, শেষবারের মতো খোঁজ করতে গিয়ে সুমাইয়ার মা ছাদের দিকে ওঠেন। সেখানে জলের ট্যাঙ্কে চোখ পড়তেই বুক কেঁপে ওঠে তাঁর। মেয়ের নিথর দেহ ভাসছে জলের উপর। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় পুলিশকে।
পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। ফরেনসিক টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে শুরু করে তদন্ত। হায়দরাবাদের পুলিশ জানিয়েছে, শিশুটির হাত বাঁধা অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে, তাই স্পষ্টভাবেই বোঝা যাচ্ছে সে নিজে থেকে কোনওভাবে ট্যাঙ্কে পড়ে যায়নি। এটি পরিকল্পিত খুন বলেই মনে করা হচ্ছে।(Hydrabad)
এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই তদন্তে নেমেছে পুলিশ। প্রথমে নিখোঁজ মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হলেও পরে তা বদলে হত্যা মামলা রুজু করা হয়েছে। পুলিশ আধিকারিক অঞ্জনেয়ুলু এনডিটিভিকে জানিয়েছেন, “আমরা সবদিক খতিয়ে দেখছি, এমনকি পারিবারিক বিবাদ আছে কি না, তাও তদন্ত করা হচ্ছে। এটি নিশ্চিতভাবে একটি খুনের ঘটনা।”
এই ঘটনার জেরে এলাকায় ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক। কে বা কারা একটি নিষ্পাপ শিশুকে এভাবে নির্মমভাবে হত্যা করল, তা জানতে উদগ্রীব গোটা শহর।






