ব্যাঙ্ক জালিয়াতি মামলায় ইডি তল্লাশি, উদ্ধার বিলাসবহুল গাড়ি সহ কোটি টাকার গয়না
ওড়িশার ভুবনেশ্বরে একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি চালিয়ে বিপুল সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।
Truth Of Bengal: ভারতের অন্যতম বৃহত্তম ব্যাঙ্ক জালিয়াতি মামলার তদন্তে বড়সড় সাফল্য পেয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ১৩৯৬ কোটি টাকার ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলায় ফের বড়সড় পদক্ষেপ নিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। ওড়িশার (Odisha) ভুবনেশ্বরে একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি চালিয়ে বিপুল সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।
ইডি সূত্রে খবর, অভিযানে ১০টি বিলাসবহুল গাড়ি ও তিনটি সুপারবাইক উদ্ধার হয়েছে। বাজেয়াপ্ত গয়নার বাজারমূল্য এক কোটি টাকারও বেশি। এছাড়া উদ্ধার হয়েছে নগদ ১৩ লক্ষ টাকা ও কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তির নথি। ইডির তরফে জানান হয়েছে, বাজেয়াপ্ত এই সম্পত্তিগুলি আসলে প্রতারণা থেকে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে কেনা। বিলাসবহুল গাড়ি, বাইক এবং গয়না ছাড়াও অভিযুক্তরা একাধিক স্থাবর সম্পত্তিতে বিনিয়োগ করেছিল বলে জানা যাচ্ছে।
[আরও পড়ুন: Family Tragedy: মা-বাবার মধ্যে অশান্তির মাঝে পুকুরে পড়ে শিশুর মৃত্যু!]
জানা গিয়েছে ওড়িশায় (Odisha) তল্লাশি চালানো হয়েছিল ব্যবসায়ী শক্তিরঞ্জন দাসের বাড়ি ও অফিসে। পাশাপাশি আরও কয়েকটি ঠিকানায় অভিযান চালানো হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ব্যাঙ্ক প্রতারণার অভিযোগে অভিযুক্ত সংস্থাটি একাধিক ভুয়ো সংস্থার মাধ্যমে শক্তিরঞ্জন দাসের প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্টে প্রায় ৫৯ কোটি টাকা পাঠিয়েছিল।উল্লেখ্য, ২০০২ সালে ওড়িশার ওই সংস্থার বিরুদ্ধে ১৩৯৬ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ ওঠে।
FB POST: https://www.facebook.com/share/v/16yGhiD7Ur/
এই ব্যাঙ্ক জালিয়াতি মামলাটি দেশের অন্যতম বৃহৎ প্রতারণার ঘটনা হিসাবে চিহ্নিত। অভিযুক্তরা একাধিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ভুয়ো নথি এবং প্রতারণার মাধ্যমে ১,৩৯৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে অভিযোগ। এই অর্থের একটি বড় অংশ বিদেশেও পাচার করা হয়েছে বলে মনে করছে তদন্তকারীরা (Odisha)। ইডি ইতিমধ্যেই মামলার সাথে জড়িত কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ পাঠিয়েছে।এর আগে এই মামলায় ইডি ইতিমধ্যেই ৩১০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছিল। তদন্তকারীদের দাবি, শক্তিরঞ্জন দাসের ভূমিকাসহ পুরো প্রতারণা চক্রের জাল কতদূর বিস্তৃত, তার হদিস পেতেই এই অভিযান।






