Chandrachud: প্রধান বিচারপতির বাসভবন বিতর্কের অবসান, আট মাস পর বাংলো ছাড়লেন চন্দ্রচূড়
সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের লিখিত হস্তক্ষেপের পরই সরকারি বাসভবন ছাড়লেন চন্দ্রচূড়।
Truth of Bengal: দীর্ঘ টানাপোড়েনের অবসান। দিল্লির কৃষ্ণ মেনন মার্গে প্রধান বিচারপতির জন্য নির্ধারিত সরকারি বাসভবন অবশেষে খালি করলেন ভারতের সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়। প্রায় আট মাস ধরে পদে না থেকেও সেখানে বসবাস করছিলেন তিনি। সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের লিখিত হস্তক্ষেপের পরই সরকারি বাসভবন ছাড়লেন চন্দ্রচূড়। সূত্রের খবর, চলতি বছরের ১ জুলাই সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের তরফে কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রককে চিঠি দিয়ে অনুরোধ করা হয় প্রধান বিচারপতির জন্য নির্ধারিত ৫ নম্বর কৃষ্ণ মেনন মার্গের বাংলোটি দ্রুত খালি করে আদালতের হাউজিং পুলে ফিরিয়ে দেওয়া হোক (Chandrachud)।
আরও পড়ুন: Khalid Jamil: সমস্ত জল্পনার ইতি, ব্লু টাইগার্সদের নতুন কোচ খালিদ জামিল
সাধারণত এমন চিঠি আদালতের তরফে খুব কমই পাঠানো হয়, তাই প্রশাসনিক মহলে তাৎক্ষণিক চাঞ্চল্য ছড়ায়। আইন অনুসারে, ২০২২ সালে সংশোধিত ‘সুপ্রিম কোর্ট জাজেস রুলস’-এ বলা হয়েছে, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিরা ছয় মাস পর্যন্ত টাইপ-সেভেন ক্যাটাগরির বাংলোতে থাকতে পারেন। কিন্তু বিচারপতি চন্দ্রচূড় টাইপ-এইট ক্যাটাগরির বাংলোয় রয়েছেন। যা প্রধান বিচারপতির জন্য নির্দিষ্ট। ২০২২ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৪ সালের নভেম্বর পর্যন্ত দেশের প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে ছিলেন ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়। অবসর নেওয়ার পরেও বাংলো না ছাড়ায় বিতর্ক শুরু হয়। চন্দ্রচূড়ের যুক্তি ছিল, তাঁর নতুন ঠিকানা তুঘলক রোডের ১৪ নম্বর বাড়িতে সংস্কারের কাজ চলছে। তাই সময় চেয়ে তিনি বর্তমান প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্নাকে গত বছর ১৮ ডিসেম্বর চিঠি লেখেন (Chandrachud)।
Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/share/1ADtx3ZZeU/
তিনি অনুরোধ করেন, যেন ৩০ এপ্রিল ২০২৫ পর্যন্ত ওই বাংলোতে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়। সঞ্জীব খান্না ওই অনুরোধে সম্মতি দেন। এরপর কেন্দ্রীয় মন্ত্রকও শর্তসাপেক্ষে অনুমতি দেয়। বলা বাহুল্য, বিচারপতি সঞ্জীব খান্না নিজে কখনও কৃষ্ণ মেনন মার্গের বাংলোতে ওঠেননি, যদিও তাঁর প্রধান বিচারপতি হিসেবে মেয়াদ ছিল প্রায় ছয় মাস। এমনকি বর্তমান প্রধান বিচারপতি বি আর গাওয়াই-ও অন্য একটি পুরনো বাংলোতেই থাকছেন। এই আবহে অবশেষে প্রধান বিচারপতির জন্য নির্ধারিত সরকারি বাসভবন ছাড়লেন চন্দ্রচূড় (Chandrachud)।






