Modi: সভার আগে প্রধানমন্ত্রীকে পাল্টা প্রশ্ন, কী বলল তৃণমূল
TMC hit back at PM Modi on X ahead of his Durgapur rallies, posing 5 pointed questions as Bengal parties gear up early for the 2026 Assembly election battle.
দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: কিছুক্ষণের মধ্যে দুর্গাপুরে বিজেপির (Modi) জোড়া সভা শুরু হবে। তার আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজের সরকারি এক্স হ্যান্ডেল থেকে যেই বার্তা দিয়েছিলেন, এবার তার পাল্টা দিল বাংলার শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। ঘাসফুল শিবিরও নিজের এক্স হ্যান্ডেল থেকে পাল্টা কটাক্ষ করে প্রধানমন্ত্রীকে। শুধু তাই নয়, এর সঙ্গে তোলে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এক কথায় বলতে গেলে, তৃণমূল কংগ্রেসও যে এক ইঞ্চি জমি ছাড়বেনা, তা বেশ স্পষ্ট।
The helicopter-giri has resumed, with PRadhan Mantri @narendramodi scheduled to hold a rally in Durgapur today. We hope he makes good use of the opportunity to answer a few straightforward questions:
👉🏻 Is speaking Bangla a crime
👉🏻 If yes, does that make him a criminal too for…— All India Trinamool Congress (@AITCofficial) July 18, 2025
২০২৬ সালের বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। জয়ের কথা মাথায় রেখে এখন থেকেই প্রচারে নেমে পড়েছে সকল দল। শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস থেকে শুরু করে প্রধান বিরোধী দল বিজেপি, সকলেই কমবেশি প্রচার পর্ব চালু করে দিয়েছে। একদিকে গত বুধবারের পদযাত্রা ও সভার পর ২১শে জুলাই শহীদ দিবস সভা রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের, তেমনি অন্যদিকে বিজেপির তরফ থেকেও রয়েছে একাধিক কর্মসূচি। তারাও নামবে উত্তরকন্যা অভিযানে। বলতে গেলে, এখন থেকেই একপ্রকার ভোট পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বাংলায়।
[আরও পড়ুন: TRF designation: লস্করের শাখা টিআরএফকে বিদেশি জঙ্গি সংগঠন তকমা আমেরিকার]
তবে তার আগে শুক্রবার দুর্গাপুরে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জোড়া সভা। ইতিমধ্যেই গোটা দুর্গাপুরের পরিবেশ পাল্টে গিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর (Modi) এই সভাকে ঘিরে। দলের নেতা ও কর্মী থেকে শুরু করে সেখানকার বহু স্থানীয় বাসিন্দা এখন অপেক্ষা করছেন প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শোনার জন্য। বলা বাহুল্য, প্রায় সকলেই আশা করছেন যে আজ বিশেষ কিছু ঘোষণা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী।
যদিও সভার আগের রাতে প্রধানমন্ত্রী নিজের এক্স হ্যান্ডেল থেকে দাবি করেন যে তৃণমূলের অপশাসনে ক্ষতি হয়েছে বাংলার এবং রাজ্যবাসী বিজেপির দিকে মুখিয়ে রয়েছেন উন্নয়নের জন্য। এখানেই শেষ নয়, প্রধানমন্ত্রী এটাও দাবি করেন যে বঙ্গবাসী জানেন উন্নয়ন একমাত্র বিজেপির দ্বারাই সম্ভব। এরপরই আক্রমণে নামে ঘাসফুল শিবির। দলের মুখপাত্র কুনাল ঘোষ কটাক্ষ করে দাবি করেন যে আবারো খালি হাতে বড় প্রতিশ্রুতি দিতে বাংলায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী।
পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূলের অপশাসনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মানুষ অনেক আশা নিয়ে বিজেপি’র দিকে তাকিয়ে আছেন এবং তাঁরা নিশ্চিত যে একমাত্র বিজেপি-ই পারবে উন্নয়ন করতে। আগামীকাল, ১৮ই জুলাই, দুর্গাপুরে একটি @BJP4Bengal জনসভায় ভাষণ দেবো। যোগদান করুন!
— Narendra Modi (@narendramodi) July 17, 2025
তবে তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের এক্স হ্যান্ডেল থেকে প্রধানমন্ত্রীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে পাঁচটি প্রশ্ন ছোড়ে। দল লিখেছে, “ওনার উদ্দেশ্যে আমাদের পাঁচটি প্রশ্ন। এক, বাংলায় কথা বলা কি অপরাধের মধ্যে পড়ে? দুই, যদি হয়ে থাকে তাহলে তিনিও কি দোষী জাতীয় সংগীত গেয়ে? যদি না হয়ে থাকে তাহলে কেন বাংলাভাষী নাগরিকদের হেনস্থা করা হচ্ছে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে? সংবিধানের কোথায় লেখা আছে ভাষার ভিত্তিতে শাস্তি দেওয়ার কথা? বিজেপি (Modi) কি সত্যিই মনে করে যে এমন কাজ করে বাংলা দখল করতে পারবে?
[আরও পড়ুন: Kangsabati Flood Alert: আবারও প্লাবনের আশঙ্কা! কংসাবতীর জলস্ফীতিতে আতঙ্কে পাঁশকুড়াবাসী]
তৃণমূল কংগ্রেসের এই পোস্ট ঘিরে শুরু হয় রাজনৈতিক তরজা। কমেন্ট সেকশনে অনেকেই অনেকরকম কথা লেখেন। কেউ ঘাসফুল শিবিরের সঙ্গে সহমত পোষণ করেন আবার কেউ বিরোধিতা করেন। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে যেভাবে বাঙ্গালীদের হেনস্থার শিকার হতে হচ্ছে বিজেপি (Modi) শাসিত রাজ্যগুলিতে, তাতে বেশ ধাক্কা খাবে গেরুয়া শিবির। তেমনি বড় লাভ করবে ঘাসফুল শিবির। এবার দেখার বিষয় প্রধানমন্ত্রী কি বলেন এবং মুখ্যমন্ত্রী কি পাল্টা দেন।





