উৎসবের সূচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী, পুজোর সময়েও দুর্গতদের সাহায্যের আহ্বান
The chief minister started the festival, called for help to the victims during the puja

Truth Of Bengal : পিতৃপক্ষে মায়ের পুজোর উদ্বোধন হয় না। তাই মহালয়ার আগে উত্সবের সূচনা করা হল।মঙ্গলবার শ্রীভূমি স্পোটিং ক্লাব প্রাঙ্গণ থেকে এই বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্সবের মাঝেও বন্যা কবলিত এলাকার মানুষকে ত্রাণ সহায়তা প্রদানে তত্পরতার কথা উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর কথায়। সমাজের রুটি-রুজির স্বার্থ যেখানে জড়িত সেখানে সর্বজনীন উত্সবকে সর্বাঙ্গসুন্দর করার জন্য সব অংশের মানুষকে প্রশাসনকে সাহায্য করার আহ্বানও জানিয়েছেন প্রশাসনিক প্রধান।
বাংলার বিশ্বজনীন উত্সব দুর্গাপুজোকে বর্ণময় করে তুলতে রাজ্য সরকারের প্রয়াস অব্যাহত।একদিকে ক্লাবও উদ্যোক্তাদের সহায়তা প্রদান।অন্যদিকে বিদ্যুত বিল মকুব,পরিকাঠামোর সহায়তা করার মতো নানা ব্যবস্থা নিয়েছে প্রশাসন।ইউনেস্কোর ঐতিহ্যের তালিকায় শীর্ষে থাকা এই ধর্মীয় উত্সবের এবার সূচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।মঙ্গলবার শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের প্রাঙ্গণ থেকে উত্সবের সূচনা করেন তিনি। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, পিতৃপক্ষে মায়ের পুজোর উদ্বোধন হয় না। তিনি বলেন, ”ধর্ম, শাস্ত্র – এসব কিছুটা জানি।”তাই পিতৃপক্ষে তিনি যে ধর্মীয় রীতিকে মান্যতা দিয়ে পুজোর উদ্বোধন করেননি তা স্পষ্ট করেন তিনি।বিরোধীরা যাতে কটাক্ষ না করতে পারে সেজন্য জবাবও দিয়েছেন প্রশাসনিক প্রধান।তিনি মাস্টারস্ট্রোক দিয়ে বলেন, ”আবার তো সবাই ন্যারেটিভ শুরু করবেন, মহালয়ার আগে পিতৃপক্ষের উদ্বোধন করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।
শ্রীভূমিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বাঙালির সেরা উৎসবে শুভেচ্ছাবার্তা দেওয়ার পাশাপাশি বন্যা পরিস্থিতির কথাও উল্লেখ করলেন। ডিভিসি-কে তোপ দাগলেন তিনি। মনে করিয়ে দিলেন, উৎসবের পাশাপাশি বন্যাদুর্গত মানুষদের সাহায্যের কথা ভুললে চলবে না। এখনও যাঁরা ত্রাণশিবিরে, তাঁদের জন্য শুকনো খাবারের প্যাকেট দিতে হবে, যাতে খাবারের অভাব না ঘটে।






