দুর্গাপুর কাণ্ডে জনস্বার্থ মামলা দায়ের, মামলা করেছে কর্তৃপক্ষও
জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার মামলা দায়ের করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে বিচারপতি শম্পা সরকারের তরফ থেকে।
Truth Of Bengal: অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হলেও দুর্গাপুর কান্ড নিয়ে এখনও উত্তপ্ত বঙ্গ রাজনীতি। যেভাবে বিষয়টি নিয়ে চারিদিকে তোলপাড় চলছে, তাতে যে জল আদালত পর্যন্ত গড়াবে, তা কার্যত স্পষ্ট ছিল। এবার ঠিক সেটাই হল। আদালতে দায়ের হল এক জনস্বার্থ মামলা। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার মামলা দায়ের করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে বিচারপতি শম্পা সরকারের তরফ থেকে। ১৬ তারিখে এই মামলার শুনানি হওয়া সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে শুধু জনস্বার্থ মামলা নয়, মামলা দায়ের করা হয়েছে সেই বেসরকারি মেডিকেল কলেজের কর্তৃপক্ষের তরফ থেকেও। তাদের বক্তব্য, এই ঘটনার পর আক্রমণ করা হচ্ছে প্রতিষ্ঠানকে এবং চাপে পড়েছে পড়ুয়াদের সুরক্ষার বিষয়টি। আদালতের কাছে হস্তক্ষেপের আবেদন করা হয়েছে কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে যাতে পরীক্ষা চলাকালীন সেখানে ভিড় না হয় জনতার। এদিকে ধৃতদের নিয়ে পুলিশ জোরকদমে তদন্ত চালু করতে পারে মঙ্গলবার। শুধু তাই নয়, নির্যাতিতার সহপাঠীকেও ধৃতদের মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হতে পারে এদিন।
প্রসঙ্গত, ঘটনার সূত্রপাত গত শুক্রবার থেকে। নির্যাতিতা তাঁর বন্ধুর সঙ্গে ক্যাম্পাসের বাইরে বেরিয়ে ছিলেন রাতে এবং তখনই ঘটনাটি ঘটে বলে অভিযোগ। তাঁকে জঙ্গলের দিকে টেনে নিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনা জানাজানি হতেই রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানাতে শুরু করেন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে ছাত্রসমাজ সকলেই। বিরোধীরাও এই ইস্যুকে হাতিয়ার করে ময়দানে নামে তৃণমূলকে চাপে ফেলতে। তবে শাসকদলের দিকে অভিযোগের আঙ্গুল উঠলেও ঘাসফুল শিবিরও পাল্টা দেয় বিরোধীদের। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরিষ্কার করে দেন যে এমন অপরাধের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি রাজ্যের। একেক করে সকলকে গ্রেফতার করা হয়। যদিও শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন যে একজন ধৃতের সঙ্গে যোগ রয়েছে তৃণমূলের।






