রাজ্যের খবর

“৪ মে-র পর বাংলায় শপথ নিতে আসছি!”, দ্বিতীয় দফার ভোট জমিয়ে দিল মোদির ভবিষ্যদ্বাণী

কলকাতাকে ‘সিটি অফ ফিউচার’ করার অঙ্গীকার! ১৫ বছরের পরিচয় বদলে দেওয়ার ডাক মোদির

Truth of Bengal: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় পরিবর্তনের ডাক দিয়ে ‘মোদির গ্যারান্টি’র ডালি সাজালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অনুপ্রবেশ নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি থেকে শুরু করে সরকারি কর্মীদের জন্য সপ্তম বেতন কমিশন- একাধিক বড় প্রতিশ্রুতি দিয়ে ফের একবার ‘সোনার বাংলা’ গড়ার অঙ্গীকার করলেন তিনি। সোমবার এক জনসভা থেকে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পুরনো গৌরব ফিরে আসবে, এবার বাংলার পালা।”

নাগরিকত্ব ইস্যুতে আশ্বস্ত করে মোদি বলেন, “বিজেপি জমানায় কোনও ভারতীয় নাগরিক, যে ধর্মেরই হোন তিনি, তাঁদের সমস্যা হবে না। কিন্তু অনুপ্রবেশকারীদের ছাড়া হবে না। মতুয়া, নমশূদ্রদের বলছি, নাগরিকত্ব মিলবেই।” বিরোধী জোটকে বিঁধে তাঁর বার্তা, ৭০ বছর ধরে বাম, কংগ্রেস ও তৃণমূলকে সুযোগ দিলেও তারা শুধু শোষণ করেছে; এবার বিজেপিকে সুযোগ দিলে বাংলা সব বন্ধন থেকে মুক্তি পাবে।

কলকাতার ভবিষ্যৎ নিয়েও বড় স্বপ্ন দেখান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “১৫ বছরে কলকাতার পরিচয় বদলে দিয়েছে তৃণমূল। আমরা কলকাতাকে সিটি অফ ফিউচার করব।” ক্ষমতায় এলে প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই বাংলায় ‘আয়ুষ্মান ভারত’ কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান তিনি, যার মাধ্যমে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসা মিলবে। সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ মেটাতে মোদি ঘোষণা করেন, বিজেপি সরকার এলে কর্মীরা সপ্তম বেতন কমিশনের লাভ পাবেন। নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে সরব হয়ে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে শূন্যপদ দ্রুত পূরণ হবে এবং সময়মতো নিয়োগপত্র দেওয়া হবে।

আধ্যাত্মিক যোগের কথা মনে করিয়ে দিয়ে মোদি জানান, বাংলাই তাঁর আধ্যাত্মিক মননের কেন্দ্র। তাঁর কথায়, “ভারতের ভাগ্যোদয় পূর্বোদয় ছাড়া সম্ভব নয়। অঙ্গ, কলিঙ্গে (ওড়িশা) কমল ফুটেছে, এখন বাংলার পালা।” যুবসমাজের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করে বাংলা থেকে পরিযায়ী শ্রমিক হওয়ার ধারা বন্ধ করার চ্যালেঞ্জও ছুড়ে দেন প্রধানমন্ত্রী।

Related Articles