স্বাস্থ্যসাথীর মাধ্যমে নিঃশব্দ বিপ্লব, সুরক্ষাবলয়ে বঙ্গবাসী
Bengalis under protection through swasthya sathi

The Truth Of Bengal : শরীর ঠিক না থাকলে কোনও কাজ করাই সম্ভব নয়। একমাত্র সুস্বাস্থ্যের অধিকারী মানুষই,জাতি বা দেশকে ভালো কিছু উপহার দিতে পারেন। তাই স্বাস্থ্যের মতো মানবসম্পদের বিকাশের জন্য প্রথম থেকেই গুরুত্ব দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লক্ষ্যপূরণে নিজের হাতেই পরিবর্তনের সরকারের সূচনাপর্ব থেকে স্বাস্থ্যদফতরের দায়িত্ব রাখেন। যারজন্য স্বাস্থ্যের মেরুদণ্ড শক্ত হয়েছে। এখন ভেলোর বা বেঙ্গালুরুতে যাওয়ার বদলে বঙ্গভূমেই মিলছে বিশ্বমাণের স্বাস্থ্যপরিষেবা,এমনটাই মনে করছেন রোগী কল্যাণ সমিতির সদস্য থেকে প্রশাসনের কর্তারা।কথা দিয়ে কথা রাখার লক্ষ্যে রাজ্য সরকার চিকিত্সাকেন্দ্রের ঠিকানা বাড়িয়েছে। কোভিডকাল থেকেই অভিনব টেলিমেডিসিন পরিষেবা আর ডিজিটাল পদ্ধতি দূর থেকেই সেবার দিগন্ত খুলে দিয়েছে।২৫টির কাছে মেডিক্যাল কলেজ থেকে আগামীর চিকিত্সক তৈরির রাস্তা খুলছে।এবারের বাজেটে জানানো হয়েছে, আরও উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্র তৈরি করে স্বাস্থ্যে নিঃশব্দ বিপ্লব ঘটানোর প্রয়াস জারি আছে।
- ৪,৪৬১টি নতুন সাব সেন্টারের মধ্যে ২,,২০৩টি কাজ করছে
- বাকি সাব-সেন্টারগুলি ২৫-২৬ এর মধ্যে কাজ শুরু করবে
- ২০২৪এর মার্চের মধ্যে ১৪,০৭২টি সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র
- ২০২৫-২৬এর মধ্যে ১৬,৬১৬টি কার্যকরী করা হবে
- ১৯.১৬কোটি মানুষ এর মাধ্যমে পরিষেবা পাচ্ছেন
পরিকাঠামো উন্নয়নে আন্তরিক রাজ্য সরকার,হাসপাতালের আসন সংখ্যা বাড়াতে এগিয়ে এসেছে।
কামারহাটি সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ, মুর্শিদাবাদ, মালদহ, ডায়মন্ড হারবার, রামপুরহাট, রায়গঞ্জ, কোচবিহার ও পুরুলিয়া দেবেন মাহাতো মেডিক্যাল কলেজ— এই আটটি মিলিয়ে ৬০৬টি আসন বৃদ্ধি পেয়েছে।সবার স্বাস্থ্যের গ্যারান্টি যাতে থাকে সেজন্য ২০১৬-য় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেন।জাতি-ধর্ম –বর্ণ,ধনি –গরিব নির্বিশেষে সবার জন্য চালু করেন স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প।সেই স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের রাশ রয়েছে মহিলাদের হাতে।এপর্যন্ত প্রশাসনের দেওয়া তথ্য অনুসারে,
- স্বাস্থ্যসাথীর আওতায় এসেছে ২.৪৫কোটি পরিবার
- প্রতিদিন ৬হাজার রোগী এর মাধ্যমে পরিষেবা পান
- ২০২৩-২৪সালে স্বাস্থ্যসাথীতে ব্যয় ২হাজার কোটি টাকা
রাজ্যে শিশুদের বিনামূল্যে পরিষেবা প্রদান করা হচ্ছে সুপার স্পেশালিটি টার্সিয়ারি স্তরের চিকিত্সা ব্যবস্থায়।শিশুসাথী প্রকল্প শুরুর সময় ২৯,৫০০জন্মগত হার্টের রোগ নিরাময় হচ্ছে।প্রাতিষ্ঠানিক প্রসব হার এগারোয় ছিল ৬৮শতাংশের কাছে, এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৯৯শতাংশের ওপর।শিশু প্রতিষেধক টিকা প্রদান এখন প্রায় একশশতাংশের কাছে।জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করা থেকে জনপরিষেবার মাণোন্নয়ন বাংলা দেশে একাই একশো হবে বলে আশা প্রশাসনের কর্তাদের।
FREE ACCESS






