অযোধ্যা সাজবে চন্দননগরের আলোয়, পৌঁছে গিয়েছেন ১৫০ জন শিল্পী
Ayodhya will be decorated with the light of Chandannagar

The Truth of Bengal: শ্রীরামের আরাধনায় সেতুবন্ধন হল বাংলা আর অযোধ্যার। দীপাবলিতে চন্দননগরের আলোয় সেজেছিল অযোধ্যার পথঘাট। এবার রামমন্দির উদ্বোধনের সময়ও চন্দননগরের আলোকশিল্পীদের ওপরেই ভরসা রাখল উত্তরপ্রদেশ সরকার। রামলালার মন্দিরের উদ্বোধন বলে কথা। দেশজুড়েই চলছে তোড়জোড়। আগামী ২২ জানুয়ারি অযোধ্যার রামমন্দিরের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেদিন রামলালার মন্দিরকে আলোয় রোশনাইয়ে ভরিয়ে তোলা হবে। রামরাজ্যের পথঘাট ঝলমল করবে। দেশবিদেশের অতিথিরা দেখবেন আলোর রোশনাই। এই আলোর কাজের জন্যই প্রায় ২ কোটি টাকার বরাত পেয়েছেন চন্দননগরের আলোকশিল্পীরা। হুগলির গঙ্গাপাড়ের থেকে উত্তরপ্রদেশে গঙ্গাপাড়ের ‘রাম-রাজ্যে’ দীপাবলির সময়ে আলো যাচ্ছে কয়েক বছর ধরে।
এবার রামমন্দির উদ্বোধনও তাঁদের বাহারি আলোয় সাজবে অযোধ্যা। রামমন্দিরকে কেন্দ্র করে অযোধ্যায় পর্যটনের প্রসারে মন দিয়েছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। ধনতেরাস ও দীপাবলি উপলক্ষে সেখানে আলো ঝলমল করছে। সেই আলো লাগিয়েছে চন্দননগরের বিদ্যালঙ্কার এলাকার একটি সংস্থা। রামমন্দির থেকে কিছু দূরে, আলোর গেটেও ফুটিয়ে তোলা হবে রামমন্দির। ২৭০ কিলোমিটার দূরে চিত্রকূটে রাম, সীতা, লক্ষ্মণ, হনুমান ফুটে উঠবে আলোর কারিকুরিতে। গোটা এলাকা জুড়ে বাহারি আলোয় সাজানো হবে। তা ছাড়া মন্দিরের আলোকসজ্জাও হবে।
শিল্পীদের কথায়, রামরাজ্যে এবার এমন আলোর রোশনাই দেখা যাবে, যা আগে কখনও দেখা যায়নি। বাংলার আলোকশিল্পীদের দক্ষ হাতের ছোঁয়ায় ঝলমল করবে অযোধ্যা। রামমন্দির যাওয়ার রাস্তায় ৩০০টি আলোর গেট থাকবে। লোহার খাঁচার ওপর এলইডি স্ট্রিপ দিয়ে আলো লাগাবেন বাংলার শিল্পীরা। এক বছর থাকবে এই আলো। চন্দননগরের আলোকশিল্পীরা সব সামগ্রী ট্রাকে চাপিয়ে ইতিমধ্যে রওনা দিয়েছেন অযোধ্যা। ২০ জানুয়ারির মধ্যে সব কাজ শেষ করার লক্ষ্য নিয়েছেন শিল্পীরা। রামলালার বিগ্রহে প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগে হনুমানের উদ্দেশে আহুতি দেবেন সাধুরা। তাই তৈরি করা হয়েছে ১০০৮টি যজ্ঞকুণ্ড। সেই সময় আলোয় ফুটিয়ে তোলা হবে রামায়ণের বিভিন্ন দৃশ্য।






