ফরাসি কলোনির বুকে বাংলার স্থাপত্য! চন্দননগরের নন্দদুলাল মন্দিরে লুকিয়ে ইতিহাসের পরত
হুগলিতে গঙ্গা নদীর তীরে চন্দননগরে গড়ে ওঠে ফরাসি কলোনি
Truth of Bengal: একসময় ফরাসি কলোনি গড়ে ওঠে হুগলির চন্দননগরে। সেই চন্দননগরের দুর্গাচরণ রক্ষিত রোডে রয়েছে প্রাচীন নন্দদুলাল মন্দির। বাংলার দোচালা মন্দিরের অন্যতম সেরা নিদর্শন হল নন্দদুলাল জিউ মন্দির। ১৬৭৩ সালে হুগলিতে গঙ্গা নদীর তীরে চন্দননগরে গড়ে ওঠে ফরাসি কলোনি। ১৫ বছর পর স্থায়ী ফরাসি কলোনি গড়ে ওঠে চন্দননগরে। ১৭৩০ সালে জোসেফ ফ্রাঁসোয়া ডুপ্লে হন চন্দননগরের গভর্নর। ১৭৪২ সাল পর্যন্ত তিনি ছিলেন ওই পদে। ১৮৮০ সালে গড়ে ওঠে চন্দননগরের পুরসভা। প্রথম মেয়র হন শার্ল দুমেন।

১৯৫০ সালে ভারতে অন্তর্ভুক্ত হয় চন্দননগর। ১৯৫৪ সালে পশ্চিমবঙ্গে অন্তর্ভুক্ত হয় চন্দননগর। ১৭৩৯ সালে ইন্দ্রনারায়ণ চৌধুরী চন্দননগরের এই প্রাচীন মন্দির তৈরি করেন। দোচালা নন্দদুলাল জিউ মন্দিরের বাইরের দেওয়ালে রয়েছে টেরাকোটার অপূর্ব কারুকাজ। সিঁড়ি দিয়ে উঠতে হয় গর্ভগৃহ পর্যন্ত। মন্দিরে রয়েছে ৫টি ঢোকা ও বেরনোর পথ। এরমধ্যে ২ দিকের ঢোকা ও বেরনোর পথ ভুয়ো। বিভ্রান্ত করার জন্য।
.jpg)
৩৪ ফুট উঁচু মন্দির রয়েছে খোলামেলা পরিবেশে। কষ্টিপাথরে নির্মিত নন্দদুলাল জিউয়ের বিগ্রহ প্রতিষ্ঠিত মন্দিরে। রোজ পুজো-আচ্চা হয় মন্দিরে। দোল উৎসব, জন্মাষ্টমী ও নন্দোৎসবে বিশেষ পুজো করা হয়। ১৭৫৭ সালে ইংরেজদের সঙ্গে যুদ্ধর সময় ভয়াবহ ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এই মন্দির। একাধিক বার রক্ষণাবেক্ষণ করার পর মন্দিরের টেরাকোটার কারুকাজ অনেকটাই নষ্ট হয়েছে।






