ডিআরডিও-র মহড়ার জন্য মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা, বিকল্প ব্যবস্থার আশায় সুন্দরবনের মৎস্যজীবীরা
Ban on fishing for DRDO exercises

Bangla Jago Desk: ডিআরডিও-র মহড়ার জন্য মাছ ধরতে যাওয়ার ওপর জারি হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। ইলিশ ধরার ভরা মরসুমে রোজগারে টান পড়ার আশঙ্কায় রয়েছেন সুন্দরবনের মত্স্যজীবীরা। কারণ টানা ৬দিন মাছ ধরতে না গেলে খাবেন কী? এই প্রশ্নটাই কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে মাছ ধরে জীবন চালানো মানুষগুলোকে। তাই জলবেষ্টিত দ্বীপ অঞ্চলের মানুষ চাইছেন,এর জন্য বিকল্প কিছু করা হোক।
ইলিশ ধরার ভরা মরসুমে মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞায় মহা চিন্তায় পড়েছেন সুন্দরবনের মত্স্যজীবীরা। কেন এই ভরা মরসুমে মাছ ধরার ওপর পড়ছে কোপ? কেন মানা করা হচ্ছে হাজার হাজার মানুষের পাতে ইলিশের জোগান দেওয়া মানুষদের সমুদ্রে যেতে ? কারণ, ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের উদ্যোগে ফ্লাইট ট্রায়াল হবে উপকূলবর্তী এলাকায়। সেজন্য ৬’দিন দক্ষিণ ২৪ পরগনার উপকূলে মাছ ধরতে যাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। ১৭ থেকে ১৯ এবং ২৪ থেকে ২৬ জুলাই এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। এই সময়ের মধ্যে ফ্লাইং ট্রায়াল হবে বলে জানানো হয়েছে।তাই নির্দেশিকায় বিপাকে পড়েছেন মৎস্যজীবীরা। তাঁদের যুক্তি, এখন ইলিশ মাছ ধরার ভরা মরশুম। তার মধ্যেই ছ’দিন মাছ ধরতে যাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা মানে বেশ কিছুটা ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে।
দু’মাসের ‘ব্যান পিরিয়ড’ শেষে গত ১৫ জুন শুরু হয়েছে সমুদ্রে মাছ ধরার মরশুম। মাস ঘুরতে না ঘুরতেই বিমান মহড়ার জন্য দু’দফায় ছ’দিন ফের সমুদ্রে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে জেলা মৎস্য বিভাগ। এই বিষয়ে কাকদ্বীপ ফিশারম্যান ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক বিজন মাইতি জানান সিজনে শুরুতেই তেমন একটা ভালো মাছ হয়নি বা মৎস্যজীবীরা মৎস্য শিকার করতে পারেনি। তার মধ্যেই আবারো এই ছয়দিনের যে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে এতে মৎস্যজীবীদের খুব সমস্যায় পড়তে হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। বাংলার সরকার বরাবরই মত্স্যজীবীদের সাহায্য করেছে।তাঁদের আনা হয়েছে সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের আওতায়। যেসময় মত্স্যজীবীদের কাজ থাকে না,সেসময় সমুদ্রসাথী প্রকল্প কার্যকর করে নগদ সাহায্য প্রদান করা হচ্ছে। তাই বাংলার পথে কেন্দ্র কেন এই রাজ্যের মত্স্যজীবীদের আর্থিক সহায়তা প্রদানে সদয় হচ্ছে না সেই প্রশ্নও রাখছেন অনেকে।






