
The Truth Of Bengal : ওড়িশা কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে সেমিফাইনালের প্রথম লেগ-এ ২-১ গোলে জয় পায়। দ্বিতীয় লেগ’র ম্যাচে এক এগিয়ে থেকে শুরু করে ওড়িশা। আর্মান্দো সাদিকু গত ম্যাচে লাল কার্ড দেখায় এদিনের ম্যাচে তাঁকে ছাড়াই নামতে হয় মোহনবাগানকে। তা সত্বেও ঘরের মাঠে মোহনবাগান আবারও ফিরল মোহনবাগান। ম্যাচের প্রথম থেকে আক্রমণ শানাতে থাকে হাবাস বাহিনী৷ প্রথম অর্ধের ২২’ মিনিটে গোল দিমির শট সেভ করেন অমরিন্দর কিন্তু বল তাঁর হাতে ডিফ্লেক্ট হয়ে বক্সের মধ্যেই পড়ে। সেই বল জালে পাঠাতে দেরি করেননি মোহনবাগানের জোকার জেসন কামিন্স। এই ম্যাচে ১ গোলে লিডের সাথে সাথে অ্যাগ্রেগেটে ২-২ সমতায় ফেরে দিমি’রা।
অপরদিকে সের্জিও লোবেরার দল কিছুটা কাউন্টার অ্যাটাক ফুটবল খেলছিল। ২৬’ মিনিটে রয় কৃষ্ণার বাড়ানো বল গোলে রাখতে পারেনি দিয়েগো মরিসিও। কিন্তু এই ম্যাচে আর ভুল করেননি ডিফেন্ডার হেক্টর ইউস্তে। গত ম্যাচে তাঁর ভুল থেকেই গোল করে যান ওড়িশা’র আক্রমণের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় রয় কৃষ্ণা। তাই একপ্রকার ইউস্তে আজকের ম্যাচে বিপক্ষ’কে গোল করতে দেবেন না বলে প্রতিজ্ঞা করেই মাঠে নেমেছিলেন। প্রথম অর্ধের অতিরিক্ত সময়ের একদম শেষ মূহুর্তে ইসাকের শট যখন বিশাল’কে পার করে গোলে চলে যাচ্ছিল সেই মূহুর্তে একদম গোল লাইন সেভ করে নিজেদের গোল’কে অক্ষত রেখেছিলেন ইউস্তে। এর মধ্যে অবশ্য দিমি’র কাছে সুযোগ এসে গিয়েছিল গোলের। কিন্তু মোর্তাদা ফোলের বদান্যতায় সে গোল হজম করা থেকে রেহাই পায় ওড়িশায়। দ্বিতীয় অর্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে শুরু করে মোহনবাগান। কিন্তু ৯০’ মিনিটে খেলা শেষ করতে হলে আরও এক গোলের প্রয়োজন ছিল মোহনবাগানের।
অনিরুদ্ধ থাপা’কে তুলে নিয়ে সাহাল’কে মাঠে নামান হাবাস। ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে ৯০+৩’ মিনিটে মনবীরের বাড়ানো বল সাহাল প্রথমে ট্যাপ ইন করে গোলে রাখতে চাইলেও অমরিন্দের গায়ে লেগে আবার সাহালের মাথায় লেগে বল জালে জড়িয়ে যায়। এই সেই কাঙ্ক্ষিত মূহুর্ত যেটার জন্য মাঠে ৬২ হাজার সমর্থকেরা অপেক্ষা করছিল। অবশেষে ওড়িশা’কে দুই ম্যাচ মিলিয়ে ৩-২ গোলের ব্যাবধানে হারল মোহনবাগান।






