The Truth of Bengal: AI বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অর্থাৎ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাড়বাড়ন্ত যেমন দৈনন্দিন জীবনের মুশকিল আসান করছে, তেমনই তা দেশের নিরাপত্তার জন্য মাথাব্যাথার করাণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনটাই মত প্রকাশ করেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে গ্লোবাল পার্টনারশিপ সামিটে বিশ্বজুড়ে নৈতিকভাবে এআই ব্যবহারের পক্ষে সওয়াল করেন মোদি। মোদির দাবি, একবিংশ শতাব্দীতে বিজ্ঞানের বড় প্রাপ্তি এআই। তবে তার পাশাপাশি এই শতাব্দী ধ্বংসেরও বড় হাতিয়ার এই প্রযুক্তি।
প্রধানমন্ত্রীর কথায়, “ডিপফেক, সাইবার নিরাপত্তা, ব্যক্তিগত ডেটা চুরি-সহ নানা বিষয় রুখে দেওয়াটা এখন বড় চ্যালেঞ্জ। এর সঙ্গে এবার যুক্ত হয়েছে এআই। যা জঙ্গিদের হাতে পড়লে তা দেশের নিরাপত্তার জন্য রীতিমতো উদ্বেগের হয়ে উঠছে। জঙ্গিগোষ্ঠীগুলি যদি এআই-কে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে, তাহলে তা গোটা বিশ্বের নিরাপত্তার কাছেই আতঙ্ক হয়ে দাঁড়াবে। এমনটা যাতে না হয়, তা নিশ্চিত করতে AI-এর অপব্যবহার বন্ধ করার জন্য নির্দিষ্ট পদক্ষেপ করতে হবে।
” সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে এআইয়ের ব্যবহারে লাগাম টানতে হবে বলে মত প্রকাশ করেন মোদি। যা নিয়ে G20 সামিটেও প্রস্তাব দেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, যেভাবে নানা আন্তর্জাতিক ইস্যুতে নানা প্রোটোকল মেনে একটি সিদ্ধান্তে আসা হয় কিংবা চুক্তি করা হয়, এআইয়ের ক্ষেত্রেও সেভাবেই ভাবতে হবে। ভারত যে এ বিষয়ে পূর্ণ সহযোগিতা করবে, সে বার্তাও দেন মোদি।






