‘আমাকে নজরবন্দি করে রাখা হয়েছে, আফ্রিকাতেও এমন হয় না!’ জেলা সফরের আগে বিস্ফোরক মমতা
তার কয়েক ঘণ্টা আগেই কালীঘাটের বাড়ি থেকে বিজেপি এবং পুলিশের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তুললেন কালীঘাট তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী
Truth of Bengal: ক্ষমতা হারানোর পর প্রথমবার কলকাতার বাইরে জেলা সফরে বেরোনোর কথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। শনিবার বিকেলে হুগলির শ্রীরামপুর কোর্ট ময়দানে তাঁর সভা হওয়ার কথা। তার কয়েক ঘণ্টা আগেই কালীঘাটের বাড়ি থেকে বিজেপি এবং পুলিশের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তুললেন কালীঘাট তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী। তাঁর দাবি, দলের নেতা-কর্মীদের বাড়ি থেকে বেরোতে দেওয়া হচ্ছে না এবং তাঁকেও কার্যত ‘নজরবন্দি’ করে রাখা হয়েছে। শনিবার বিকেল ৪টেয় শ্রীরামপুর কোর্ট ময়দানে সভার আয়োজন করা হয়েছে। কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ মেনেই এই সভা হচ্ছে। উপনির্বাচনের আবহে দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে জটিলতার মধ্যেই মমতার এই জেলা সফর ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
সভায় রওনা দেওয়ার আগে কালীঘাটের বাড়ি থেকে মমতা অভিযোগ করেন, “১৫ দিন আগে থেকে কোর্টে লড়ে মিটিংয়ের অনুমতি নেওয়া হয়েছে। আমাদের বাড়ি থেকে বেরতে দেওয়া হচ্ছে না, নজরবন্দি করে রাখা হয়েছে প্রায়। গুণ্ডা দিয়ে রাস্তা জ্যাম করে রেখেছে বিজেপি লুম্পেনরা। আফ্রিকান দেশগুলোতেও এরকম হয় না। ”পুলিশের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, “কোথাও পুলিশের চিহ্ন নেই, পুলিশের সাপোর্টেই সব হচ্ছে।” যদিও এই অভিযোগগুলির বিষয়ে পুলিশ বা বিজেপির প্রতিক্রিয়া এই প্রতিবেদনের তথ্যের মধ্যে নেই।
শ্রীরামপুরের সভায় যাওয়ার পথে বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষের গাড়িতে হামলার অভিযোগও তোলেন মমতা। তিনি বলেন, “আমাদের বিধায়ক কুণালের গাড়ি ভাঙচুর করেছে। তার সারা গায়ে কাচ ভর্তি, হামলা করে করে ওঁকে ঘিরে রেখেছে। চুঁচুড়া, উত্তরপাড়া থেকে কাউকে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। এটা অশুভ সংকেত।” সভা করার অনুমতি নিয়েও প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মমতা। তাঁর বক্তব্য, “এমনিতেই পুলিশ কোনও সভার অনুমতি দিচ্ছে না, কোর্টের অর্ডার আনতে হচ্ছে। তারপরেও জুলুমবাজি। পুলিশের উর্দি ছেড়ে বিজেপির ঝান্ডা ধরা উচিত। আইনশৃঙ্খলা বিষয়টা দেখা উচিত পুলিশ।”






