‘যা খুশি তাই বলা আমার আমলে চলবে না’, ‘আমি মমতার মতো কাপুরুষ নই!’ হুমায়ুনকে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর
শুক্রবার জনসভায় দাঁড়িয়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, সংবিধানের সীমার বাইরে গিয়ে কোনও ধরনের হুমকি বা উসকানিমূলক মন্তব্য তাঁর সরকার বরদাস্ত করবে না
Truth of Bengal: আমজনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের ‘স্যাটাভাঙা মার’ মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই তাঁর গড় রেজিনগর থেকে পালটা আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার জনসভায় দাঁড়িয়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, সংবিধানের সীমার বাইরে গিয়ে কোনও ধরনের হুমকি বা উসকানিমূলক মন্তব্য তাঁর সরকার বরদাস্ত করবে না। এর আগে নিজের সম্প্রদায়ের লোকজনকে নিয়ে বিজেপি কর্মীদের ‘স্যাটাভাঙা মার’ দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন হুমায়ুন। তাঁর মন্তব্য ছিল, রেজিনগরে বিজেপি বেশি সক্রিয় হলে এমন পরিস্থিতি তৈরি করা হবে যে দলের পতাকা বহনের লোকও পাওয়া যাবে না। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী বা পুলিশ সুপারকেও মানবেন না বলে দাবি করেছিলেন তিনি।
হুমায়ুনের ওই মন্তব্যের পর বিধানসভাতেই কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন শুভেন্দু। তিনি বলেছিলেন, এই ধরনের মন্তব্যই যেন শেষবার হয়। সরকার কাউকে ইচ্ছেমতো হুমকি দেওয়ার অধিকার দেবে না। শুক্রবার সরাসরি রেজিনগরে গিয়ে সেই বার্তাই আরও জোরালো করলেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দুর অভিযোগ, আগের তৃণমূল সরকারের আমলে মুর্শিদাবাদে একের পর এক অশান্তির ঘটনা ঘটেছে। তাঁর বক্তব্য, “পিএফআই বা সিমিকে ঢোকাবেন, যা ইচ্ছা করবেন, যা খুশি বলবেন—সেই দিন আর নেই। আমি দুর্বল মুখ্যমন্ত্রী নই। আপনি যা খুশি বলবেন আর আমি চুপ করে শুনব, আমার আমলে তা হবে না। সংবিধান মেনে যা বলার বলবেন।”
হুমায়ুনের নাম না করেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রেজিনগর থেকে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির বক্তব্য সংবিধান স্বীকৃতি দেয় না। জেল ভরে দেওয়ার চ্যালেঞ্জ কিংবা প্রশাসনকে প্রকাশ্যে অমান্য করার হুঁশিয়ারি কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। শুভেন্দু বলেন, “আপনি বলেছেন, যত খুশি জেলে ভরুন, মুর্শিদাবাদের জেলগুলিতে অনেক জায়গা রয়েছে। এ কথা কীভাবে বলতে পারেন? যা খুশি বলে যাবেন, তা আমার আমলে হবে না।”





