কলকাতা

পেপারলেস বিধানসভার পথে বাংলা, নতুন বিধায়কদের প্রশিক্ষণের উদ্যোগ স্পিকারের

স্পিকারের কথায়, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান এবং লোকসভার স্পিকাররা এসে নতুন বিধায়কদের প্রশিক্ষণ দেবেন

Truth of Bengal: এই প্রথমবার সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বাংলায় সরকার গঠন করেছে বিজেপি। সরকার গঠনের পর এবার বিধানসভার কাজকর্মেও বড়সড় পরিবর্তনের ভাবনা শুরু হয়েছে। বিধানসভাকে পেপারলেস করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি নতুন বিধায়কদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করা হবে বলে জানালেন স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বোস। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে স্পিকার জানান, এবার বিধানসভায় প্রায় ২০০ জন নতুন বিধায়ক রয়েছেন। তাঁদের বিধানসভার নিয়ম, কার্যপদ্ধতি এবং দায়িত্ব সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। বাজেট অধিবেশনের পর এই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। স্পিকারের কথায়, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান এবং লোকসভার স্পিকাররা এসে নতুন বিধায়কদের প্রশিক্ষণ দেবেন।

May be an image of studying, dais and text

ই-বিধানসভা চালুর বিষয়টিও এদিন ফের স্পষ্ট করেন রথীন্দ্রনাথ বোস। তিনি জানান, বিধানসভায় এবার ডিজিটাল ব্যবস্থা চালু করা হবে। বিধানসভা পেপারলেস হলে প্রয়োজনীয় তথ্য দ্রুত এবং সরাসরি পাওয়া যাবে। এতে বিধায়ক থেকে সাধারণ মানুষ—সবাই উপকৃত হবেন। আরও স্বচ্ছতা ও আধুনিকতার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান স্পিকার।প্রসঙ্গত, গত ১৫ মে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অষ্টাদশ বিধানসভার স্পিকার নির্বাচিত হন শাসকদলের মনোনীত প্রার্থী রথীন্দ্রনাথ বোস। সেদিনই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভার কার্যপদ্ধতি সরাসরি সম্প্রচারের কথা ঘোষণা করেছিলেন।

Rathindra Bose elected unopposed as Bengal assembly Speaker

মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, বাজেট-সহ গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশন লাইভ দেখানোর ব্যবস্থা করা হবে। তাঁর মতে, নির্বাচিত বিধায়কদের কাজকর্ম, বিরোধীদের ভূমিকা এবং সরকারের কার্যপদ্ধতি সাধারণ মানুষের সামনে স্বচ্ছ ভাবে তুলে ধরা প্রয়োজন। শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেছিলেন, অতীতের তিক্ততা ভুলে বিধানসভাকে আরও কার্যকর ও সমৃদ্ধ করতে হবে। শুধু বিরোধিতা নয়, সুস্থ ও গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে বিরোধীদের অংশগ্রহণও গুরুত্বপূর্ণ। বৃহস্পতিবার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বোসের বক্তব্যেও সেই একই বার্তা উঠে এল।