কলকাতা

পড়ুয়াদের সক্রিয় অংশগ্রহণে পরিবেশ দিবস উদযাপিত

বিতর্কের বিষয় ছিল- 'সভার মতে জলবায়ু পরিবর্তনই পরিবেশ ধ্বংশের কারণ'।

Truth of Bengal: পরিবেশ দিবসে পশ্চিমবঙ্গ প্রাণী ও মৎস্যবিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ে মৎস্যবিজ্ঞানের পড়ুয়াদের নিয়ে বিতর্ক, তাৎক্ষণিক বক্তৃতা, পোস্টার প্রদর্শন প্রতিযোগিতার আয়োজন করল পিপলস অ্যাসোসিয়েশন ফর সায়েন্স এন্ড এনভায়রনমেন্ট (পেস)। সহযোগিতায় ছিলো ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্স (ইন্ডিয়া) এবং ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল সায়েন্স অ্যাকাডেমির কলকাতা শাখা। বিতর্কের বিষয় ছিল- ‘সভার মতে জলবায়ু পরিবর্তনই পরিবেশ ধ্বংশের কারণ’। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন টেকনো ইন্ডিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সৈকত মৈত্র।

তিনি ‘কার্বন ফুটপ্রিন্ট’ কমিয়ে ‘কার্বন হ্যান্ডপ্রিন্ট’ বাড়াতে অর্থাৎ বেশি করে গাছ লাগানোর পরামর্শ দেন। এরপর ‘কোস্টাল মাইক্রবায়োম ফর ক্লিনার এনভায়রনমেন্ট’ নিয়ে মনোজ্ঞ আলোচনা করেন ইসার, কলকাতার বিজ্ঞানী পুণ্যশ্লোক ভাদুড়ি। সুন্দরবন অঞ্চলের বাস্তুতন্ত্র বর্তমানে কীভাবে চ্যালেঞ্জর সম্মুখীন হচ্ছে তা তিনি তথ্যসহ তুলে ধরেন। পশ্চিমবঙ্গ প্রাণী ও মৎস্যবিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. তীর্থ কুমার দত্ত সভাপতির ভাষণে জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য প্রাণী ও মৎস্যচাষে ক্ষতির ক্ষতিয়ান তুলে ধরেন।

নাসির গভর্নিং বডির সদস্য বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ড. শ্যামল রায় মাইক্রোপ্লাস্টিকের বিপদ নিয়ে সবাইকে সতর্ক করেন। ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নিবন্ধক অধ্যাপক পার্থ দাস, গবেষণা নির্দেশক অধ্যাপক শুভাশিস বটব্যাল, ফিশারি ফ্যাকাশ্টির ডিন অধ্যাপক টি এস নাগেশ, পেসের সচিব সন্দীপ সেন, পেসের সহ-সভাপতি তথা পশ্চিমবঙ্গ প্রাণী ও মৎস্য বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সিদ্ধার্থ জোয়ারদার প্রমুখ। বিশ্ববিদ্যালয়ের এনএসএস ইউনিটের উদ্যোগে মৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের পড়ুয়ারা পরিবেশ সুরক্ষায় ‘একটি গাছ মায়ের নামে’- কর্মসূচীর অঙ্গ হিসাবে ক্যাম্পাস জুড়ে গাছ লাগিয়ে তাদের যত্ন করে বড় করার শপথ নিল। স্টুডেন্টস পার্টিসিপেটরি প্রোগ্রামে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণেও তাদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো।

Related Articles