ইডি হানা দিতেই এ কী কাণ্ড? জানালা দিয়ে ওড়ানো হল ব্যাগ ভর্তি নগদ টাকা
৫০০ টাকার নোটে ঠাসা দুটি ব্যাগ নিচে পড়তেই গোটা এলাকায় আতঙ্ক ও চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।
Truth of Bengal: চন্ডিগড়ে অবস্থিত মোহালির চাজ্জু মাজরা এলাকার একটি বহুতল আবাসন ঘিরে বৃহস্পতিবার এক নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির আধিকারিকেরা যখন একটি ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালাতে পৌঁছান, ঠিক সেই মুহূর্তে নবম তলার জানালা দিয়ে টাকার ব্যাগ নিচে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। ৫০০ টাকার নোটে ঠাসা দুটি ব্যাগ নিচে পড়তেই গোটা এলাকায় আতঙ্ক ও চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।
সকালের দিকে আবাসনের প্রাতঃভ্রমণকারীরা চত্বরের ভেতরে যত্রতত্র টাকা ছড়িয়ে থাকতে দেখে চমকে ওঠেন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান ইডি আধিকারিক ও স্থানীয় পুলিশ। তদন্তকারীদের অনুমান, কেন্দ্রীয় সংস্থার প্রতিনিধিরা ফ্ল্যাটে ঢোকার আগেই ভেতরে থাকা ব্যক্তিরা প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে টাকার ব্যাগগুলো নিচে ছুড়ে দেন। ঘটনার একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ব্যাগ দুটি বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি কয়েক ঘণ্টা ধরে ওই আবাসনে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়।
Morning walkers reportedly found currency notes scattered around the complex and alerted authorities. ED officials later seized the bags and continued search operations for several hours. pic.twitter.com/2GrU6ZWwnf
— NDTV (@ndtv) May 7, 2026
দিল্লি ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, তল্লাশি অভিযানটি চালানো হয়েছিল ওয়েস্টার্ন টাওয়ার্সের ৯০৬ নম্বর ফ্ল্যাটে। তবে এই অভিযান কেবল মোহালিতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। চণ্ডীগড়ের সেক্টর ১৬ এবং পাতিয়ালা-সহ মোট ১২টি জায়গায় একযোগে তল্লাশি চালায় ইডি। এই অভিযানে বেশ কয়েকজন আবাসন নির্মাতা, আবাসন প্রকল্প এবং নীতিন গোহাল নামে এক ব্যক্তির বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়। নীতিন গোহাল একজন উচ্চপদস্থ সরকারি কর্তার বিশেষ আধিকারিকের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত।
তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, গ্রেটার মোহালি এরিয়া ডেভেলপমেন্ট অথরিটি বা গমাডা-র জমি ব্যবহারের অনুমতি (সিএলইউ) সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগেই এই হানা দেওয়া হয়। নীতিন গোহালের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি এই জমি সংক্রান্ত লাইসেন্স পাইয়ে দেওয়ার নাম করে সাধারণ মানুষের থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা সংগ্রহ করেছেন এবং বড় ধরনের আর্থিক জালিয়াতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। ঘটনার তদন্ত প্রক্রিয়া এখনও চলছে এবং পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য নথিপত্র খতিয়ে দেখছেন আধিকারিকেরা।






