Truth Of Bengal: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য অধ্যাপক মামুন আহমেদের পদত্যাগ চেয়ে সময়সীমা বেঁধে দিল শিক্ষার্থীরা। মোট ৬ দফা দাবি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। দাবি পূরণে তারা বেঁধে দিয়েছেন ৪ ঘণ্টা সময়। এই সময়ে মধ্যে সমাধান না হলে তারা পরবর্তী কর্মসূচি দেবেন। সোমবার সরকারি সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে এবিষয়ে জানান হয়। ঢাকা কলেজের শহীদ মিনারের সামনের সংবাদ সম্মেলন করেন শিক্ষার্থীরা। ৬ দফা দাবি পড়ে শোনান সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের একজন প্রতিনিধি।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পাঁচ দাবি হলো, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকেই সাত কলেজের ভর্তি পরীক্ষায় অযৌক্তিক কোটা পদ্ধতি বাতিল করতে হবে; সাত কলেজের শ্রেণিকক্ষের ধারণক্ষমতার বাইরে শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে না; শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করতে হবে; সাত কলেজের ভর্তি পরীক্ষায় নেগেটিভ মার্ক যুক্ত করতে হবে; সাত কলেজের ভর্তি ফির স্বচ্ছতা নিশ্চিতে মন্ত্রণালয় গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে ঢাবি ব্যতীত নতুন একটি অ্যাকাউন্টে ভর্তি ফির টাকা জমা রাখতে হবে।
প্রসঙ্গত, রবিবার রাত ১১টা নাগাদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সাত কলেজের শিক্ষার্থী ও ঢাবি শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। চরম সংঘর্ষ বাঁধে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে। মুহুর্মুহু সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করা হয়। চলে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। ঘটনায় অন্তত ৬ জন আহত হয়েছে বলে খবর।
এর আগে সন্ধ্যায় ভর্তি পরীক্ষায় অযৌক্তিক কোটাপদ্ধতি বাতিলসহ পাঁচ দফা দাবির অগ্রগতি জানতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মামুন আহমেদের সঙ্গে কথা বলতে যান সাত কলেজের এক দল শিক্ষার্থী। সূত্রের খবর, এ সময় কয়েকজন হুড়মুড় করে তার কার্যালয়ে ঢুকে পড়ায় মেজাজ হারিয়ে ফেলেন অধ্যাপক মামুন। কার্যত ক্ষুব্ধ হন শিক্ষার্থীরা। প্রতিবাদে ঢাকা কলেজের সামনে জড়ো হন। অধ্যাপক মামুনকে প্রকাশ্যে শিক্ষার্থীদের কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবিতে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান শিক্ষার্থীরা।রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ তারা উপ-উপাচার্যের বাসভবনের দিকে রওনা হওয়ার ঘোষণা দেন। খবর পেয়ে লাঠিসোটা নিয়ে অবস্থান নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।






