এসআইআর থেকে বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ততার মাঝেই কমিশনের নয়া মাথা ব্যাথার কারণ রাজ্যসভার নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন নিয়ম অনুযায়ী ২০২৬ এর ২ এপ্রিলের আগে নির্বাচন করতে হলে মেয়াদ শেষের ১৫ দিন আগে শেষ করতে হবে রাজ্যসভার নির্বাচন।
Truth of Bengal: রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগেই রাজ্যসভার নির্বাচন। নির্বাচন কমিশন সূত্রে এমনই খবর। আগামী ২ এপ্রিল মেয়াদ শেষ হচ্ছে রাজ্যের পাঁচ রাজ্যসভা সাংসদের । যার মধ্যে আছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সুব্রত বক্সী, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, মৌসম বেনজির নূর, সাকেত গোখলে এবং সিপিআইএমের বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য্য। নির্বাচন কমিশন নিয়ম অনুযায়ী ২০২৬ এর ২ এপ্রিলের আগে নির্বাচন করতে হলে মেয়াদ শেষের ১৫ দিন আগে শেষ করতে হবে রাজ্যসভার নির্বাচন। যদি ১৫ দিন আগে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হয় তাহলে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহেই বিজ্ঞপ্তি জারি করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। ফলে রাজ্যে চলা এসআইআর প্রক্রিয়ার পাশাপাশি রাজ্যসভার নির্বাচনও রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরের অন্যতম মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই
পশ্চিমবঙ্গে রাজ্যসভার নির্বাচন ঘিরে সময়সীমা ও রাজনৈতিক হিসাব নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে। সংবিধান অনুযায়ী, রাজ্যসভার যেসব সাংসদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে, তাঁদের মেয়াদ ফুরোনোর আগেই সংশ্লিষ্ট রাজ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক। সেই নিয়ম মেনেই ২০২৬-এ পশ্চিমবঙ্গে রাজ্যসভার একাধিক আসনে নির্বাচন করাতে হবে।তবে প্রশাসনিক বা রাজনৈতিক কারণে যদি মেয়াদ শেষের অনেক আগেই নির্বাচন করানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সে ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট সময়সীমা মানতে হয়। সেই হিসাবে, যদি মার্চ মাসের মধ্যেই রাজ্যসভার নির্বাচন করাতে হয়, তবে চলতি বছরের মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহের মধ্যেই ভোটপ্রক্রিয়া শেষ করা বাধ্যতামূলক।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, লোকসভা ও বিধানসভা ভোটের ক্যালেন্ডার, প্রশাসনিক প্রস্তুতি এবং দলীয় সমীকরণ—সব মিলিয়েই রাজ্যসভার নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করা হবে। বিশেষ করে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিরোধী দলগুলির সাংসদ সংখ্যা ও সমর্থনের অঙ্ক এই নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।
তবে কেবলমাত্র পশ্চিমবঙ্গেই নয়, মহারাষ্ট্র,ওড়িশা, তামিলনাড়ু, তেলঙ্গনা,আসাম, বিহার, ছত্তিশগড়, হরিয়ানা এবং হিমাচল প্রদেশেও এই বছরেই রাজ্যসভার নির্বাচন হবে। যদিও এক একটি রাজ্যে আলাদা আলাদা তারিখে সম্পন্ন হবে রাজ্যসভার নির্বাচন বলে সংশ্লিষ্ট সিইও দপ্তরে বার্তা পাঠানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই মৌসম নূর রাজ্যসভা সাংসদ পদে ইস্তফা দিয়ে জাতীয় কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। তবে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে এবার কাকে কাকে রাজ্যসভায় মনোনয়ন দেয় সেদিকে যেমন নজর রয়েছে তেমনি বিরোধীপক্ষে কাকে মনোনয়ন দেওয়া হয় সেটাও চর্চার বিষয়।






