রাজ্যের খবর

‘বিচারাধীন’ থেকে সরাসরি ‘বাদ’! একডজন নথি দিয়েও উধাও প্রাক্তন সাংসদের নাম

শুক্রবার রাতে নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত দ্বিতীয় দফার তালিকায় দেখা যায়, এসইউসি নেতা ও প্রাক্তন সাংসদ তরুণ মণ্ডলের নাম আর নেই।

Truth of Bengal: এসআইআর তালিকা ঘিরে রাজ্যে নতুন করে বিতর্ক দানা বাঁধল প্রাক্তন সাংসদ তরুণ মণ্ডলের নাম বাদ পড়াকে কেন্দ্র করে। প্রথমে ‘বিচারাধীন’, তারপর ‘বিবেচনাধীন’, আর শেষমেশ সরাসরি তালিকা থেকেই নাম উধাও! এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

শুক্রবার রাতে নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত দ্বিতীয় দফার তালিকায় দেখা যায়, এসইউসি নেতা ও প্রাক্তন সাংসদ তরুণ মণ্ডলের নাম আর নেই। অথচ খসড়া তালিকায় তাঁর নাম ছিল ‘বিচারাধীন’ হিসেবে। শুধু তাই নয়, তাঁর স্ত্রী মহুয়া মণ্ডলের নামও একই অবস্থায় ছিল। পরবর্তীতে শুনানিতে অংশ নিয়ে একাধিক নথি জমা দেওয়ার পরও কেন নাম বাদ গেল, তা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন।

২০০৯ সালে জয়নগর লোকসভা কেন্দ্র থেকে কংগ্রেস-তৃণমূল জোটের সমর্থনে জয়ী হয়ে সাংসদ হয়েছিলেন তরুণ মণ্ডল। রাজনৈতিক জীবনে পরিচিত মুখ হলেও, বর্তমান তালিকা থেকে তাঁর নাম বাদ পড়ায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ বাড়ছে বিভিন্ন মহলে।

বর্তমানে হাওড়ার বাসিন্দা তরুণ মণ্ডল জানিয়েছেন, তিনি সমস্ত প্রয়োজনীয় নথি, সরকারি চাকরির প্রমাণ, পেনশনের কাগজপত্র-সহ একাধিক তথ্য জমা দিয়েছেন। তবুও তাঁর নাম বাদ পড়ায় তিনি বিস্মিত। ইতিমধ্যেই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের সঙ্গে দেখা করেছেন তিনি।

তরুণ মণ্ডলের কথায়, “আমি সাংসদ ছিলাম, সরকারি চাকরি করেছি। এত নথি জমা দেওয়ার পরও যদি আমার নাম বাদ যায়, তাহলে সাধারণ মানুষের কী হবে?” তিনি এই বিষয়ে দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ও লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লাকে চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এই ঘটনার পর এসআইআর তালিকা প্রণয়ন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই ধরনের ঘটনা ভোটের আগে বড় বিতর্কের জন্ম দিতে পারে।

Related Articles