সামশেরগঞ্জ অশান্তি: রাজ্য ও সিটকে বড় নির্দেশ আদালতের
প্রসঙ্গত, কেন্দ্রের ওয়াকফ আইন প্রত্যাহারের দাবিতে বীভৎস অশান্তি ছড়ায় মুর্শিদাবাদ জেলার সামশেরগঞ্জের ধুলিয়ান ও অন্যান্য সংলগ্ন এলাকায়।
Truth Of Bengal: দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: সামশেরগঞ্জের (Shamsherganj) অশান্তি মামলায় বড় নির্দেশ কলকাতা হাই কোর্টের। বৃহস্পতিবার বিচারপতি সৌমেন সেন ও বিচারপতি উদয় কুমারের ডিভিশন বেঞ্চের তরফ থেকে মূল অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে আইনি ব্যবস্থা নিয়ে তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয় সিটকে। তাদের বক্তব্য, পরবর্তী শুনানির আগে তদন্ত শেষ করতে হবে, তবে বিএসএফের ১০ কোম্পানি বাহিনী নিজেদের কাজ চালিয়ে যাবে। পাশাপাশি, এদিন রাজ্যের তরফ থেকে ক্ষয়ক্ষতি সংক্রান্ত রিপোর্ট দেওয়া হয় এবং রাজ্য ডিজিকে রিপোর্ট দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়।
[আরও পড়ুন: Chandrachud: প্রধান বিচারপতির বাসভবন বিতর্কের অবসান, আট মাস পর বাংলো ছাড়লেন চন্দ্রচূড়]
প্রসঙ্গত, কেন্দ্রের ওয়াকফ আইন প্রত্যাহারের দাবিতে বীভৎস অশান্তি ছড়ায় মুর্শিদাবাদ জেলার সামশেরগঞ্জের (Shamsherganj) ধুলিয়ান ও অন্যান্য সংলগ্ন এলাকায়। ঘটনায় নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছিল মৃৎশিল্পী বাবা-ছেলে হরগোবিন্দ ও চন্দন দাসকে। এরপরই পরিবেশ আরও উগ্র হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রশাসনের তরফ থেকে নামানো হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছিল জোরদার রাজনৈতিক তরজা।
[আরও পড়ুন: Yuzvendra Chahal: ‘আমি ঠকাইনি কাউকে’, ট্রোলের জবাবে নিজেকে তুলে ধরলেন চাহাল]
পরে মামলার জল গড়ায় কলকাতা হাই কোর্ট পর্যন্ত। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলি পরিদর্শন করেন এবং সেখানকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন। এখানেই শেষ নয়, ক্ষতিপূরণও ঘোষণা করেন তৃণমূল সুপ্রিমো। পরবর্তী শুনানি ৭ সপ্তাহ পর। তবে তার আগে রাজ্য ও বিশেষ তদন্তকারী দলকে বড় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আদালতের তরফ থেকে। এবার দেখার বিষয় যে আগামী শুনানির আগে কি হয়। তবে রাজনৈতিক মহল মনে করছেন যে এই ঘটনার জল আরো অনেক দূর গড়াবে।






