এক বছরের ‘মন্ত্রিসভা’ গঠন স্কুলে, বীরভূমের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অভিনব ভোট
One-year 'cabinet' formation in school, fancy vote in primary school in Birbhum

The Truth Of Bengal: নির্বাচনের মাধ্যমে দেশবাসী বেছে নেয় সরকার। সেই সরকার নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় থাকে অনেকগুলি ধাপ। যে ভাবে সরকার নির্বাচন হয়, সেই ভাবে হয়ে গেল স্কুলের শিশু সংসদ নির্বাচন। আগামী এক বছর এই সংসদের হাতে থাকবে স্কুলের ভালমন্দ দেখভালের বিষয়।বীরভূমের কীর্ণাহার থানায় আলিগ্রাম প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেখা গেল অভিনব ভোট।
দেশ তাকিয়ে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের দিকে। রাজনৈতিক দলগুলি নিজেদের মতো করে ঘুঁটি সাজাচ্ছে। তবে তার আগেই হয়ে গেল সরকার নির্বাচন। বেছে নেওয়া হল প্রধানমন্ত্রী। কী ভাবছেন কবে হয়ে গেল ভোট? অবাক হবেন না। দেশের সাধারণ নির্বাচন হতে এখনও অনেক বাকি। তার আগে একটি স্কুলে ভোটের মাধ্যমে গড়া হল সরকার।
দেশের ভার থাকে নির্বাচিত সরকারের হাতে। আর সেই সরকারকে ভোট দিয়ে নির্বাচন করে দেশের মানুষ। সেই সরকার নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় থাকে অনেকগুলি ধাপ। যে ভাবে সরকার নির্বাচন হয়, সেই ভাবে হয়ে গেল স্কুলের শিশু সংসদ নির্বাচন। আগামী এক বছর এই সংসদের হাতে থাকবে স্কুলের ভালমন্দ দেখভালের বিষয়। বীরভূমের কীর্ণাহার থানায় আলিগ্রাম প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেখে গেল এমনই অভিনব ভোট। স্কুল কর্তৃপক্ষ শারীরিক ও মানসিক বিকাশের ওপর রীতিমত পরীক্ষা নিয়ে ৩৫ জনের মধ্যে মাত্র ৯ জনকে মনোনয়ন দেয়। তার মধ্যে থেকেই বেছে নেওয়া হল প্রধানমন্ত্রী, উপপ্রধানমন্ত্রী, খাদ্যমন্ত্রী, শিক্ষা-সংস্কৃতি মন্ত্রী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী, পরিবেশমন্ত্রী ও ক্রীড়ামন্ত্রী। ৯ জন প্রার্থীকে ভোট দেয় ১৬৫ জন। মন্ত্রিসভা বা সরকার নির্বাচনের জন্য সকাল থেকেই স্কুলে ছিল সাজোসাজো রব। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ছিলেন নির্বাচন কমিশনার। তাঁর তত্ত্বাবধানে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় প্রায় সমস্ত দিক পালন করে ভোট হল প্রাথমিক বিদ্যালয় শিশু সংসদের।
ভোট নিয়ে কোনও উত্তেজনা ছিল না। লাইন দিয়ে সবাই ভোট দেয়। একেবারে শান্তিতে হয়ে গেল স্কুলের মন্ত্রিসভা নির্বাচন। ভোটপর্ব মেটার পর ছিল পংক্তিভোজ। সেখানে সবাই একসঙ্গে বসে খায় মুড়ি, ঘুগনি ও মিষ্টি। ভোট শেষে সরকার নির্বাচন করে যে যার মতো বাড়ি ফিরে যায়। এই সরকারের মেয়াদ আগামী একবছর।
Free Access






