রাজ্যের খবর

কলকাতা বন্দরের চাপ কমাতে বলাগড়ে মিনি বন্দর! ভূমিপুজোয় নতুন আশার আলো

কলকাতা বন্দরের ভার লাঘব করতে কেন্দ্র সরকার বলাগড়ে মিনি বন্দর করার সিন্ধান্ত নিয়েছে

রাকেশ চক্রবর্তী, হুগলি: কলকাতা বন্দরের চাপ কমাতে বলাগড়ে হবে মিনি বন্দর।ভূমি পুজোয় দিন বদলের আশায় বলাগড়বাসী। কলকাতার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দরে প্রতিদিন জাহাজের আনাগোনা।পন্য বোঝাই থেকে খালাস, গাড়ি মানুষের ব্যস্ততা জাহাজ ঘাটায়।কলকাতা বন্দরের ভার লাঘব করতে কেন্দ্র সরকার বলাগড়ে মিনি বন্দর করার সিন্ধান্ত নিয়েছে।গত জানুয়ারী মাসে সিঙ্গুরে এসে প্রধানন্ত্রী তার শিলান্যাস করেন। বর্তমানে রাজ্য ও কেন্দ্রে ডবল ইঞ্জিন সরকার।১৯৯৬ সালে বাম সরকারের আমলে সিইএসসি বিদ্যুৎ কেন্দ্র করার জন্য জমি নিয়েছিল চাষীদের থেকে।পোর্ট ট্রাস্টেরও কিছু জমি রয়েছে। কাজও শুরু হয়েছিল।ব্রীজ রাস্তা তৈরী হয়েছিল।২০০০ সালের ভয়ঙ্কর বন্যায় সেই ব্রীজের রাস্তা ধুয়ে নিয়ে চলে যায়।পরে বাতিল হয় বিদ্যুৎ প্রকল্প।

পঁচিশ বছর ধরে সেই অবস্থায় পরে ছিলো। বলাগড়ের শ্রীপুর চরে গড় উঠবে মিনি বন্দর। শ্রীপুরে গঙ্গা প্রাকৃতিক ভাবেই বন্দরের উপযোগী।গঙ্গা থেকে অর্ধ চন্দ্রাকৃতি খারি পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকে গিয়ে আবার গঙ্গায় মিশেছে।মাঝে যে চর রয়েছে সেখানেই হবে বন্দর।জাহাজ আসবে পন্য ওঠা নামা করবে।কর্ম ব্যস্ততা তৈরী হবে।এলাকার আর্থ সামাজিক অবস্থার পরিবর্তন হবে। স্থানীয়দের কর্মসংস্থান হবে আশায় বলাগড়বাসী।বলাগড় মূলত কৃষি প্রধান তাই বন্দর হলে কাজ হবে।পাশাপাশি বলাগড়ের গঙ্গা ভাঙন রোখা যাবে বলেও আশাবাদী স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব।

শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী মিনি বন্দরের রাস্তা ও ব্রিজ তৈরী কাজে সূচনা আসাম রোডের পাশে বারুইপাড়া ভিত পুজো হল। উপস্থিত লকেট চট্টোপাধ্যায়, বলাগড়ের বিধায়িকা তথা মন্ত্রী সুমনা সরকার, হুগলি জেলা শাসক খুরসিদ আলি কাদরি,পূর্ত দপ্তর ও পোর্ট ট্রাস্টের আধিকারীকরা।

লকেট চট্টোপাধ্যায় জানান,৫৩৯ কোটি টাকার প্রকল্প
৯০০ একর জমি
চার কিমি রাস্তা
দুই বছর সময় লাগবে।
রেল যোগাযোগ।
তৈরী হবে রাস্তা ব্রীজ।
প্রাক্তন সাংসদ বলেন,১৫ বছর তার আগে ৩৪ বছর মানুষের কোন প্রত্যাশা পূরণ হয়নি।শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের নামে যে বন্দর তৈরি হচ্ছে।তাতে কর্মসংস্থান হবে।যে কথা আমরা বলেছিলাম।এই বন্ধরে সড়ক যোগাযোগ বাড়বে রেল যোগাযোগ বাড়বে জলপথে ও যোগাযোগ বাড়বে।এর মাধ্যমে বাংলাতে উন্নয়ন হবে। সুমনা সরকার বলেন,দেবী পক্ষ চলছে আমরা কাজ শুরু করালম।দু’বছরের সময় লাগবে না। যারা পরিযায়ী বদনাম দিয়ে গিয়েছিল সেই বদনামার থাকবে না।বালা ঘরের মানুষ কাজ পাবে।আমরা যে প্রতিশ্রুতি দিই সেই প্রতিশ্রুতি রাখি।

জেলা শাসক বলেন,এই বন্দরের ক্ষমতা আছে ২.৭ বিলিয়ান টন প্রতি বছর।কার্গো আসবে কনটেনার আসবে।এই বন্দরে গোটা হুগলি জেলাকে উন্নতি করবে।এর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত শিল্পে জোয়ার আসবে।