ফিরহাদ হাকিমকে বয়কট বিজেপির, উত্তেজনা বিধানসভায়
Firhad Hakeem boycott of BJP, tension in the assembly

The Truth Of Bengal: রাজ্য বিধানসভায় অধিবেশন চলছে। আর এই অধিবেশনে রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি। বিজেপির এই সিদ্ধান্ত ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায় বিধানসভায়। বিধানসভায় রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে বয়কট করে বিধানসভা থেকে ওয়াক আউট করেন বিজেপি বিধায়করা। এদিন বিধানসভায় প্রশ্নোত্তর পর্বের শেষে বার্ষিক রিপোর্ট পেশের সময় পুর ও নগর উন্নয়নমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বিধানসভায় বলতে ওঠেন সঙ্গে সঙ্গে বিধানসভা কক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যান বিজেপি বিধায়কেরা।
যদিও এই প্রস্তাবে মন্ত্রীর জবাবের পরই আবার বিধানসভা কক্ষে ফিরে আসেন তারা। এরপর দৃষ্টি আকর্ষণী পর্বেও একই ঘটনা ঘটে। বিজেপি বিধায়ক দীপক বর্মন প্রশ্ন করার পর ফিরহাদ হাকিম যখন এর জবাব দিতে ওঠেন তখন আবার বিধানসভা থেকে বেরিয়ে যান তারা।এই ঘটনায় বিধানসভার মধ্যে শাসক দলের বিধায়করাও ক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। বিশেষ করে শাসকদলের মহিলা বিধায়কেরা দাবি করেন এভাবে রাজ্যের একজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী তথা বিধায়ককে অপমান করা যায় না। এরপরই এই নিয়ে মুখ খোলেন রাজ্যে বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এভাবে হাউজের মধ্যে একজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীকে অপমান করা যায় না।
আপনারা যা করছেন তা পরিষদীয় রীতিনীতির পরিপন্থী। তিনি বিজেপির মুখ্য সচেতক শংকর ঘোষকে উদ্দেশ্য করে বলেন বিধানসভায় এমন আচরণ করবেন না যা সদনের গরিমাকে ক্ষুন্ন করে। এরপরেও শাসক ও বিরোধী উভয় পক্ষই এই নিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। এ নিয়ে বাদানুবাদ চলে, সাময়িক উত্তেজনা ছড়ায়। গোলমাল বাধে সভায়। এরপর পাকাপাকিভাবে সভা ছেড়ে বেরিয়ে যান বিজেপির সদস্যরা। বিরোধী দলের দাবি হিন্দু বিরোধী বক্তব্য প্রত্যাহার করতে হবে ফিরহাদকে। না হলে ফিরহাদ হাকিমের বক্তব্য শুনবে না তারা। এর পরিপ্রেক্ষিতে অধ্যক্ষ বিমান বন্দোপাধ্যায় জানান, এই সভায় গরিমা অক্ষুণ্ণ রাখতে এমন কোনও আচরন করবেন না বলে উল্লেখ করেন। বিজেপির মুখ্য সচেতক ডঃ শঙ্কর ঘোষ এর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এর জবাবে শঙ্কর বলেন, ওই বক্তব্য প্রত্যাহার করতে হবে। এর পাল্টা সভায় মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, ধর্মীয় সভায় যে মন্তব্য করা হয়েছে তা নিয়ে এই সদনে আলোচনা হবে না। ধর্মীয় সভায় যা বলা হয়েছে তার সঙ্গে রাজনীতি বা সমাজনীতির কোন যোগ নেই। আমি ধর্ম নিরপেক্ষ ছিলাম ধর্মনিরপেক্ষই থাকব। জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে সাম্প্রদায়িকতা রুখব।






