
The Truth of Bengal: বঙ্গ বিজেপির সদর দফতরে রাতে মধ্যপানের আসর বসে। এমনই অভিযোগ উঠল দলেরই একাংশের তরফে। বিষয়টি রাখঢাক না করে, সরাসরি নালিশ ঠোকা হয়েছে, শীর্ষনেতৃত্বের কাছে। সূত্রের খবর, দলের সংখ্যালঘু সেলের এক নেতা এমন মারাত্ম অভিযোগ তুলেছেন।
চাপা গৃহযুদ্ধ ছিলই, এবার যেন বোমা ফাটল ৬ নম্বর মুরলীধর লেনে। বঙ্গ বিজেপির একাংশের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ আনলেন সংখ্যালঘু সেলের এক নেতা। সূত্রের খবর, তিনি দলের সভাপতি জেপি নাড্ডার কাছে চিঠি লিখে অভিযোগ জানিয়েছেন, রাতের বেলায় বঙ্গ বিজেপির সদর দফতরে বসে মদের আসর। অভিযোগ এখানেই শেষ নয়, জানানো হয়েছে, জেলা বিজেপি সভাপতিদের দেওয়া গাড়ি বিক্রি করে যে টাকা পাওয়া গিয়েছিল, তা অধিকাংশই আত্মসাৎ করেছেন এক নেতা। স্বভাবতই এমন অভিযোগ আসার পরেই বিব্রত অবস্থায় পড়েছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব।
সম্প্রতি বাংলায় পঞ্চায়েত ভোট মিটেছে, আশানুরূপ ভালো ফল করতে পারেনি বঙ্গ বিজেপি। এমনকী হালের ধূপগুড়ি উপনির্বাচনেও জেতা আসন হারাতে হয়েছে। আগামী বছরই লোকসভা নির্বাচন। রাজ্যে তৃণমূল ও কেন্দ্রে বিরোধীজোটের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে রাজ্য বিজেপি। তারই মাঝে এমন একটি অভিযোগ ওঠায় কিছুটা ব্যাকফুটে বঙ্গবিজেপি।
লোকসভা নির্বাচনের আগে বাংলায় নিজেদের জমিকে আরও শক্তিশালী করতে চায় বিজেপির শীর্ষ নেতারা। কখনও দিল্লি, কখনও কলকাতায় চলছে দফায় দফায় বৈঠক। এর পাশাপাশি জেলাস্তরে সংগঠনকে চাঙ্গা করতে নেওয়া হচ্ছে একাধিক কর্মসূচি। চার কেন্দ্রীয় নেতা সুনীল বনশল, মঙ্গল পাণ্ডে, অমিত মালব্য এবং আশা লাকড়ার উপস্থিতি বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সেই সময় এই সাংগঠনিক জেলার কথা ঘোষণা করেন। জেলা সভাপতি পদে বেশ কিছু রদবদল করা হয়। এমনকী ‘প্রবাস কর্মসূচি’ কতটা কার্যকরী হচ্ছে সে দিকেও নজর রেখেছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। কিন্তু এতো কিছুর পরেও রাজ্য বিজেপির সদর দফতরে মদ্যপানের ঘটনা প্রকাশ্যে আসায় কিছুটা বিপাকে নেতৃত্ব। কারণ কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশ যে ঠিকমতো মানা হচ্ছে না, সেই প্রশ্নই উঠতে শুরু করেছে।






