Abhishek Banerjee: “রেইড করতে নয়, তথ্য চুরি করতেই হানা!” আইপ্যাক কাণ্ডে ইডি-কে তোপ অভিষেকের
কয়লা পাচার মামলার সূত্র ধরে এই তল্লাশি চালানো হলেও অভিষেকের দাবি, এর পেছনে গভীর রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে।
Truth of Bengal: আইপ্যাক দফতরে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তল্লাশি অভিযান নিয়ে এবার আক্রমণাত্মক মেজাজে ধরা দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ‘আমি বাংলার ডিজিটাল যোদ্ধা’ কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে তিনি সরাসরি অভিযোগ করেন যে, ইডি সেদিন কোনো দুর্নীতির তদন্ত করতে নয়, বরং তৃণমূলের গোপন তথ্য চুরি করতেই হানা দিয়েছিল। কয়লা পাচার মামলার সূত্র ধরে এই তল্লাশি চালানো হলেও অভিষেকের দাবি, এর পেছনে গভীর রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে।
বিজেপির সমালোচনার জবাবে অভিষেক এদিন দুটি মৌলিক প্রশ্ন তুলেছেন। প্রথমত, কয়লা পাচার মামলায় গত তিন বছরে একটিও সমন পাঠানো হয়নি, অথচ ভোটের ঠিক আগেই কেন হঠাৎ এই সক্রিয়তা? দ্বিতীয়ত, আইপ্যাকের তিনজন ডিরেক্টর থাকা সত্ত্বেও ইডি কেন শুধুমাত্র কলকাতার আধিকারিকের বাড়িতেই হানা দিল? দিল্লি বা চেন্নাইয়ের ডিরেক্টরদের কেন এড়িয়ে যাওয়া হলো? তৃণমূল সাংসদের মতে, এই বৈষম্যই প্রমাণ করে যে কেন্দ্রীয় সংস্থার লক্ষ্য ছিল কেবল বাংলার রাজনৈতিক রণকৌশল হাতানো। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সাধারণ মানুষকে ‘পেগাসাস’ কাণ্ডের কথা মনে করিয়ে দিয়ে বলেন, অতীতেও বিজেপি এভাবেই নজরদারি চালিয়ে হার মেনেছিল, এবারও তাদের পরাজয় নিশ্চিত। তাঁর অভিযোগ, আইপ্যাক তৃণমূলের জন্য ভোটার তালিকা সংক্রান্ত একটি বিশেষ অ্যাপ তৈরি করেছে, যা সাধারণ মানুষকে এসআইআর প্রক্রিয়ায় সাহায্য করছে। গরিব মানুষের জন্য তৃণমূলের এই ডিজিটাল লড়াই রুখতেই পরিকল্পিতভাবে এই অভিযান চালানো হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
নির্বাচন কমিশন এবং বিজেপিকে একযোগে নিশানা করে অভিষেক বলেন, সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার হরণ করাই এখন বিরোধীদের প্রধান কৌশল। ইডি-র এই অতিসক্রিয়তাকে তিনি সরাসরি ‘বিজেপির ফর্মুলা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। আইপ্যাকের ফাইল নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপ এবং পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত বিষয়টি গড়ানোর আবহে অভিষেকের এই মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছে।






