‘লক্ষ্মী এলো ঘরে’: সিনেমার পর্দায় সরকারি সাফল্যের খতিয়ান নিয়ে গ্রামগঞ্জে তৃণমূলের প্রচার
বাংলার পাহাড় থেকে সমুদ্র প্রতিটি গ্রামগঞ্জ জুড়ে নিবিড় প্রচার।
তরুণ মুখোপাধ্যায়, হুগলি: সারা রাজ্যের সঙ্গে হুগলি জেলাতেও আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল কংগ্রেস দলের পক্ষ থেকে রাজ্য সরকারের রূপায়িত উন্নয়ন মূলক প্রকল্পগুলি সুফলের বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে শুরু হয়ে গেছে বাংলার পাহাড় থেকে সমুদ্র প্রতিটি গ্রামগঞ্জ জুড়ে নিবিড় প্রচার।
দীর্ঘ চৌত্রিশ বছরের বাম অপ শাসনে পশ্চিমবঙ্গের ভেঙে পড়া অর্থনীতি কিভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন মা মাটি মানুষের সরকার এই তিন দশকে চাঙ্গা করেছে এবং জনকল্যাণমূলক প্রকল্প গুলি মানুষের দুয়ারে দুয়ারে পৌঁছে দিয়েছে। সেগুলি নিয়ে রাজ চক্রবর্তী পরিচালিত একটি ছায়াছবি নির্মাণ হয়েছে, “লক্ষী এলো ঘরে ” নামক সিনেমা, মুখ্য চরিত্রে আছে সোহিনী সেনগুপ্ত, শুভশ্রী, খরাজ মুখার্জি মতন প্রথিত যথা শিল্পীরা, পশ্চিমবাংলার প্রতিটি গ্রামের ব্লক স্তর থেকে শহরের ওয়ার্ড গুলিতে মানুষকে দেখানো হচ্ছে সিনেমাটি।
শুক্রবার সন্ধ্যায় শ্রীরামপুরের রাজ্যধরপুর ব্লকের ১৬ নম্বর বুথের বিবির বেড়ে প্রদর্শিত হল লক্ষী এলো ঘরে এলো চলোচিত্রটি, জয়েন্ট স্ক্রিনে প্রদর্শিত সিনেমাটি দেখতে প্রচুর মানুষ উপস্থিত হয়েছিলেন শীতকালীন সন্ধ্যায়। হুগলি জেলা পরিষদের জনপ্রিয় সদস্যা প্রিয়াংকা দের উদ্যোগে এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শ্রীরামপুর পুর সভারপুর প্রধান গিরিধারী সাহা মোহন মন্ডলে সহ অন্যান্য তৃণমূল নেতৃত্ব। চলচ্চিত্র শেষে গিরিধারী বাবু এবং প্রিয়াঙ্কা দেবী জানান আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জন মন গন অভিনয়িকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার দশ কোটি মানুষের মান উন্নয়নে যে সমস্ত জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলি রূপায়িত করেছেন, তার সুফল বাংলার প্রতিটি মানুষ পাচ্ছেন, লক্ষী ভান্ডার থেকে শুরু করে কন্যাশ্রী, রূপশ্রী, সবুজ সাথী, যুব সাথী, বার্ধক্য ভাতার মতন প্রকল্প গুলির সুবিধা আজ বাংলার ঘরে ঘরে পৌঁছে গেছে।
আর তার সেই কাজের রিপোর্ট কার্ড আমরা যেমন মানুষের মধ্যে বিলি করছি,তার সঙ্গে সঙ্গে আমরা জনগণের কাছে আবেদন রাখছি, বিজেপির মতন ধর্মান্ধ জুমলাবাজ মিথ্যাবাদী বাংলা বিরোধী দলকে যে কোনো মূল্যে বাংলা থেকে বিতাড়িত করতে হবে, আর এই শপথ পশ্চিমবাংলার প্রতিটি তৃণমূল সৈনিককে নিতে হবে। আমাদের আশা রবীন্দ্রনাথ, নজরুল বিবেকানন্দ রামমোহনের, বাংলায় বিজেপির কোন ঠাঁই হবে না , এবারের নির্বাচনেও মা মাটি মানুষের সরকারের হাতে শাসনভার তুলে দিয়ে ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে বাংলার মানুষ সুখে শান্তিতে থাকবে।





