স্বপ্নের জয়, বিশ্বকাপ জয় করে ঈশ্বরকেই কৃতিত্ব দিলেন শেফালি
ফাইনালে সেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হওয়ার পর নস্টালজিক হয়ে পড়েন টিম ইন্ডিয়ার প্রমীলা বাহিনীর অন্যতম এই সদস্যা।
Truth Of Bengal: শেফালি বর্মা। এই নামটা আজ আর কারও কাছে অজানা নয়। অজানা থাকারও কথা নয় । কেননা সদ্য ঘরের মাঠে ভারতীয় দলের জার্সি গায়ে বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম কারিগর ছিলেন এই শেফালি।
অথচ প্রথমে দলেই সুযোগ পাননি শেফালি। প্রতিকা চোট পেয়ে ছিটকে যাওয়ার পরই দলে সুযোগ পান শেফালি। এবং দলে যোগ দিয়েই ফাইনাল ম্যাচ অনবদ্য পারফরম্যান্স করলেন তিনি। ৮৭ রানের ঝাঁ চকচকে ইনিংস উপহার দেন শেফালি। ফাইনালে সেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হওয়ার পর নস্টালজিক হয়ে পড়েন টিম ইন্ডিয়ার প্রমীলা বাহিনীর অন্যতম এই সদস্যা।
সংবাদ মাধ্যমের কাছে নিজের অভিব্যক্তি ব্যক্ত করতে গিয়ে শেফালি বলেন, ‘দারুণ অনুভূতি। দেশের জার্সিতে এইরকম সাফল্যের কাণ্ডারী হতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে হচ্ছে। তবে এইসব কিছুই সম্ভব হয়েছে স্বয়ং ঈশ্বরের জন্য। তিনি না চাইলে আমি হয়ত এই বিশ্বকাপে খেলার সুযোগই পেতাম না।’
ফাইনাল ম্যাচের মত হাইভোল্টেজ ম্যাচে এইরকম দুরন্ত ইনিংস উপহার দেওয়ার প্রসঙ্গে শেফালির উত্তর, ‘ফাইনাল ম্যাচ বলে কথা, তাই জানতাম কাজটা সহজ ছিল না। পাশাপাশি আত্মবিশ্বাসী ছিলাম। জানতাম ক্রিজে গিয়ে মাথা ঠাণ্ডা রাখতে পারলে সাফল্য আসবেই। এটাই হয়েছে। আমার দলের সিনিয়র ক্রিকেটার যেমন হরমনদি, স্মৃতিদিরা সবসময় আমার পাশে থেকে ভরসা যুগিয়েছেন। আর আমি শুধু আমার কাজটাই করে গিয়েছি।’
ফাইনালে টিম ইন্ডিয়ার অন্যতম হিরো শেফালি প্রাক্তন জাতীয় ক্রিকেটার শচীন তেন্ডুলকরের অন্ধ ভক্ত। ফাইনাল ম্যাচে গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন শচীন স্বয়ং। তাঁর সামনে এমন দুরন্ত ইনিংস উপহার দেওয়ার প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে শেফালি জানান, ‘শচীন স্যার গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন, এটাও আমার কাছে বাড়তি পাওনা। যা আমার মনোবল অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছিল। উনি ঈশ্বর প্রদত্ত একজন ক্রিকেটার। উনার সঙ্গে আমার প্রায় সময়ই কথা হয়। এবং শচীন স্যার আমাকে সব সময়ই উৎসাহ দেন। এটা আমার জীবনের অন্যতম সেরা প্রাপ্তি।’
প্রসঙ্গত, হরিয়ানার রোহতকের শেফালি শুধু ফাইনাল ম্যাচে দলের হয়ে ব্যাট হাতে গুরুত্বপূর্ণ রানই করেননি গড়েছেন নজিরও। আইসিসির টুর্নামেন্টে তাঁর মত এত বড় রানের ইনিংস এর আগে ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটার তো বটেই কোনও পুরুষ ক্রিকেটারের ঝুলিতে নেই।


