রাজ্যের খবর

বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠান নিয়ে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ শুভেন্দু-দিলীপ অনুগামীদের

দাবাং নেতা দিলীপ ঘোষ ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে যে মিল নেই, তা এখন সকলেরই জানা।

Truth Of Bengal: বঙ্গ বিজেপির অন্দরে মতপার্থক্য ও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বর্তমানে কারোর কাছে অজানা নয়। মাঝেমধ্যেই পদ্ম শিবিরের ভিতরে অশান্তির খবর উঠে আসে। দাবাং নেতা দিলীপ ঘোষ ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে যে মিল নেই, তা এখন সকলেরই জানা। এবার দুই নেতার অনুগামীরা তা প্রকাশ করে দিলেন কেশিয়াড়িতে। তা হয়েছে বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠানকে ঘিরে।

জানা গিয়েছে, রবিবার দুই বিজেপি নেতার অনুগামীদের বিজয়া সম্মিলনী হয়েছে একই সময়ে। কেশিয়াড়ি হাই স্কুলে হয় দিলীপ অনুগামীদের। সেখানে খোদ দিলীপ ঘোষ উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে রজনীকান্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হয় শুভেন্দু অনুগামীদের, যেখানে উপস্থিত ছিলেন দলের প্রাক্তন জেলা সভাপতি সৌমেন তেওয়াড়ি, প্রাক্তন সহ- সভাপতি রমাপ্রসাদ গিরি, প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক গৌরীশঙ্কর অধিকারী ও দাঁতনের বিজেপি নেতা মোসেফ মল্লিক।

শুভেন্দু অধিকারীর অনুগামী হিসেবে পরিচিত প্রাক্তন জেলা সাধারণ সম্পাদক গৌরীশঙ্কর অধিকারী বলেন, “আমরা অনেকদিন আগে থেকেই করবো বলে উদ্যোগ নিয়েছিলাম। রবিবার হবে বলে কর্মীদের জানানো পর্ব শুরু হয় শুক্রবার থেকে। সমাজমাধ্যমের দ্বারা প্রচার করা হয় শনিবার দুপুর থেকে। তারপরই শনিবার সন্ধ্যা থেকে, হাই স্কুলে দিলীপ ঘোষ আসবেন বলে, প্রচার করতে থাকেন কেশিয়াড়ি ৪ নম্বর মন্ডল সভাপতি। আমরা কর্মসূচি করেছি শুধুমাত্র কেশিয়াড়ি ব্লক নিয়ে। আর ওরা লোক জড়ো করেছিল সমগ্র কেশিয়াড়ি বিধানসভা এলাকা থেকে। যদিও তাতেও বেশি হয়ে ছিল আমাদের লোক।”

অন্যদিকে দিলীপ ঘোষ বলেন, “হতেই পারে পাড়ায় বিজয়া সম্মিলনী। তবে দলীয় কর্মীদের ছাড়া সাধারণ মানুষও যাতে আসতে পারেন, তা খেয়াল রাখতে হবে। সবাই এরকম করুক। তাতে দল শক্তিশালী ও জিতলেই হল।” এই গোষ্ঠীদ্বন্দ দেখে পাল্টা দিতে দেরি করেনি তৃণমূল। দলের কেশিয়াড়ি ব্লক সভাপতি অশোক রাউত বলেন, “নতুন কিছু নয় এটা। কোনও বিজয়া সম্মিলনী নয় এটা। ভোট আসছে তাই ভোট পাখির মতো যাতায়াত শুরু করেছে সব। কোনও মাথা ব্যাথা নেই আমাদের এই নিয়ে।”