খেলা

Yuzvendra Chahal: ‘আমি ঠকাইনি কাউকে’, ট্রোলের জবাবে নিজেকে তুলে ধরলেন চাহাল

কিন্তু সময়ের অভাব, জীবনযাপনের ফারাক এবং ব্যস্ততার মাঝে তৈরি হয়েছিল দূরত্ব।

Truth of Bengal: সম্পর্কে ভাঙন এবং মানসিক অবসাদ নিজের জীবনের কঠিন অধ্যায়ের কথা এবার খোলাখুলি জানালেন ভারতীয় ক্রিকেটার যুজবেন্দ্র চাহাল। সদ্যই স্ত্রী ধনশ্রী বর্মার সঙ্গে তাঁর বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতার রেশ এখনও মুছতে পারেননি চাহাল। সম্প্রতি একটি পডকাস্টে এসে বললেন, ‘ বিবাহবিচ্ছেদের সময়ে আত্মহত্যার কথাও ভেবেছিলাম।’ চাহাল বলেন, ‘ বিচ্ছেদের সময় খুব খারাপ মানসিক অবস্থায় ছিলাম। অ্যাংজাইটি অ্যাটাক হত। প্রচণ্ড কাঁপুনি দিত, আবার কখনও এসি চালিয়েও ঘামতাম। সোশ্যাল মিডিয়ায় আমাকে নিয়ে যা লেখা হত, সেটা দেখে আত্মহত্যার কথাও ভাবতাম। অবসাদে ভুগছিলাম।’ (Yuzvendra Chahal)

[আরও পড়ুনঃ Khalid Jamil: সমস্ত জল্পনার ইতি, ব্লু টাইগার্সদের নতুন কোচ খালিদ জামিল]

ধনশ্রীর সঙ্গে প্রায় পাঁচ বছরের বৈবাহিক সম্পর্ক ছিল চাহালের। চাহালের কথায়, ‘ আমি ক্রিকেটে ব্যস্ত থাকতাম, ও নিজের কাজে। দেখা হত না। সময় দেওয়া যেত না। দু’জনের মধ্যেও মিল হচ্ছিল না। যে স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলাম, সেটা আর পূর্ণ হচ্ছিল না।’ যদিও প্রাক্তন স্ত্রীকে সরাসরি দোষারোপ না করলেও, চাহালের কথায় খানিকটা ইঙ্গিত ছিল দায়িত্বহীনতার অভিযোগের দিকে।(Yuzvendra Chahal)

[লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal/]

তিনি বলেন, ‘ ১৮-২০ বছর ধরে যে লক্ষ্যের জন্য পরিশ্রম করেছি, সেটা আমি সম্পর্কের জন্য ছেড়ে দিতে পারি না। স্ত্রী হিসেবে সাফল্যের পথে পাশে থাকাটা জরুরি।’ একইসঙ্গে নিজের দিক থেকেও ভুল স্বীকার করেছেন তিনি। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে ‘চিটার’ বা প্রতারক বলে ট্রোল করা নিয়েও মুখ খুলেছেন।(Yuzvendra Chahal)

চাহাল বলেন, ‘আমি কখনও কাউকে ঠকাইনি। আমি খুব বিশ্বস্ত একজন মানুষ। যারা আমার কাছের, আমি শুধু তাদের দিই, কিছু চাই না।’ সব মিলিয়ে কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে গিয়েছেন চাহাল। তবে এখন ধীরে ধীরে নিজেকে সামলে নিয়েছেন। পডকাস্টে তিনি বলেন, ‘এখন আমি আগের থেকে অনেক ভালো আছি। ধীরে ধীরে সব ঠিক হয়ে যাচ্ছে।’ সম্পর্কে ভাঙন, মানসিক চাপ এবং সোশ্যাল মিডিয়ার বিষাক্ত আচরণ সব মিলিয়ে চাহালের এই খোলামেলা স্বীকারোক্তি ক্রিকেটপ্রেমী ও সমাজের কাছে এক সাহসী বার্তা। পাশাপাশি, মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতার বিষয়েও এক গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে তাঁর অভিজ্ঞতা।

Related Articles