“ভ্যানিশ কুমাররা সদুত্তর দিতে পারেননি!” মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সাংবাদিক বৈঠক নিয়ে কটাক্ষ অভিষেকের
ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়াটি আদতে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করার এক পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।
Truth of Bengal: সোমবারের পর মঙ্গলবারও ধরনামঞ্চে উপস্থিত হয়ে কেন্দ্রের ‘এসআইআর’ (SIR) নীতির তীব্র সমালোচনা করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় । বিশেষ করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা করে অভিষেক দাবি করেন, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়াটি আদতে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করার এক পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।
সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক শুনানির প্রসঙ্গ টেনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “শীর্ষ আদালত নির্বাচন কমিশনকে ভর্ৎসনা করেছে। গায়ের জোরে ভোটারদের নাম কেটে দেওয়া হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের আপিল করার কোনো সুযোগ রাখা হয়নি— এই বিষয়টি আমরা আদালতের নজরে এনেছিলাম।” তিনি আরও জানান যে, যাদের নাম বাদ গিয়েছে তারা যাতে পুনরায় আবেদন করার সুযোগ পায়, সেই জন্য প্রাক্তন বিচারপতিদের নিয়ে একটি ‘অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনাল বেঞ্চ’ খোলার নির্দেশ দিয়েছে উচ্চ আদালত। অভিষেকের কথায়, এটি শুধুমাত্র তৃণমূলের জয় নয়, বরং সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারের জয়।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সাংবাদিক বৈঠক নিয়ে কটাক্ষ করে অভিষেক বলেন, “সাংবাদিকরা জ্ঞানেশ কুমারকে একাধিক কঠোর প্রশ্ন করেছিলেন, কিন্তু তিনি একটিরও সদুত্তর দিতে পারেননি।” তৃণমূল নেতার অভিযোগ, ১৫ দিনের কাজকে তিন-চার মাস টেনে নিয়ে গিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে নির্বাচন পিছনোর চেষ্টা করছে কমিশন। কেন্দ্রীয় এজেন্সির আদলে কমিশনও পক্ষপাতিত্ব করছে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি। আদালতের লড়াইয়ে সাধারণ মানুষ যে একা নয়, তা স্পষ্ট করে দিয়ে অভিষেক জানান, সুপ্রিম কোর্ট বাংলার এই মামলাটিকে ‘স্পেশাল কেস’ বা বিশেষ গুরুত্বসম্পন্ন মামলা হিসেবে বিবেচনা করার আশ্বাস দিয়েছে। তাঁর দাবি, “নির্বাচনের এক দিন আগে পর্যন্ত ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য সুপ্রিম কোর্টের দরজা খোলা আছে।” রাজ্যের প্রতিটি নাগরিক যাতে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তার জন্য শেষ পর্যন্ত লড়াই চালানোর অঙ্গীকার করেন তিনি।





