Viral News: AC-তেও দরদরিয়ে ঝরছে ঘাম, হঠাৎ ব্যাঙ্ককর্মীর মর্মান্তিক পরিণতি, ঠিক কী ঘটেছিল?
Viral News: AC is also sweating profusely, sudden tragic end of the bank worker, what exactly happened?

The Truth Of Bengal : কথায় বলে মৃত্যু কখনো বয়স মানে না। কথাটি প্রমাণিত হয়েছে বহুবার। তবে ফের একবার প্রমাণ হল উত্তর প্রদেশের মাহোবার এক ঘটনায়। বছর ৩০ এর এক তরতাজা যুবক ব্যাঙ্কে চাকরি করেন। বেশ সুস্থ সবল যুবক। শরীরে তেমন কোন অসুস্থতা নেই। কিন্তু নিমেষের মধ্যেই শেষ হয়ে গেল সবকিছু। ঠিক কি ঘটেছিল এবার একটু খোলসা করে বলা যাক…
উত্তরপ্রদেশের মাহোবার রাজেশ শিন্ডে নামে এক যুবক ব্যাঙ্কে কর্মরত ছিলেন। রোজকার মতোই গত ১৯শে জুন বেরিয়েছিলেন অফিসে। অফিসে পৌঁছে যথারীতি কাজও শুরু করেছিলেন। কাজ করতে করতে হঠাৎই খুব অসুস্থ বোধ করতে থাকেন ওই ব্যক্তি। এসিতে বসেও রীতিমতো দরদরিয়ে ঘামতে শুরু করেন তিনি। কাউকে নিজের অসুস্থতার কথা বলে ওঠার আগেই শুরু হয় প্রচন্ড বুকে ব্যথা। এরপর অচেতন হয়ে পড়েন ওই যুবক। যুবকটিকে সাড়া না দিতে দেখে তার পাশাপাশি থাকা কর্মীরা সঙ্গে সঙ্গে দৌড়ে আসেন তার কাছে। এসে প্রথমে চোখে মুখে জল দেন এবং তাকে হাওয়া করতে থাকেন। তৎক্ষণাৎ তার সহকর্মীরা প্রাথমিক চিকিৎসা শুরু করেন। এরপর দীর্ঘ ডাকাডাকির পরেও কোন কিছুতেই সাড়া না মেলায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করেন। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা ওই ব্যক্তিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
#Mahoba #महोबा: #बैंक के अंदर कुर्सी पर बैठे-बैठे एक कर्मचारी की #मौत
पूरी घटना #सीसीटीवी में #कैद हो गई, घटना 19 जून की है
साथी लेकर #अस्पताल गए लेकिन तब तक बहुत देर हो चुकी थी, डॉक्टरों ने उसे #मृत घोषित कर दिया@DMmahoba #Viralvideo @TelanganaHealth @brajeshpathakup pic.twitter.com/K3EMuUsnrM
— Goldy Srivastav (@GoldySrivastav) June 26, 2024
প্রসঙ্গত, এই অকাল মৃত্যুর ঘটনা আজকেই নতুন নয়। এর আগে বহুবার এই ঘটনার স্বীকার হয়েছেন বহু যুবক-যুবতী থেকে শুরু করে বৃদ্ধ ও বৃদ্ধারা। বিশেষ করে চলতি মাসেই গুনার ফতেহগড়ের মাঠে কলোনি ও পারহা গ্রামের মধ্যে একটি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট খেলা চলছিল। এই টুর্নামেন্টে অনেকগুলো দল অংশগ্রহণ করেছিল। সেই ম্যাচের অংশ ছিলেন দীপক খান্দেকার নামে এক ক্রিকেটার। ম্য়াচের আগে প্লেয়াররা তাঁদের ব্যাটিংয়ের অপেক্ষায় ছিলেন। এরইমধ্যে হঠাৎ বুকে ব্যথা শুরু হয়। সতীর্থ খেলোয়াড়রা দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। এই সমস্ত ঘটনা বারবার প্রমাণ করে মৃত্যু কখনো বলে কয়ে আসেনা।