দেশ

বাংলার ভোটযুদ্ধে তেজপ্রতাপ যাদব! বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণা লালু-পুত্র তেজপ্রতাপের

তবে তিনি একা নির্বাচনে লড়বেন, নাকি অন্য কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোট করবেন সেই বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি।

Truth Of Bengal: বিহারের নির্বাচনে একটি আসনও জিততে পারেনি তাঁর দল, এমনকি তিনি নিজেও পরাজিত হয়েছেন। তবুও এবার তাঁর রাজনৈতিক নজর পড়েছে প্রতিবেশী রাজ্য পশ্চিমবঙ্গের দিকে। আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই করার কথা ঘোষণা করেছেন জনশক্তি জনতা দলের (জেজেডি) প্রধান এবং লালুপ্রসাদ যাদবের জ্যেষ্ঠ পুত্র তেজপ্রতাপ যাদব। তবে তিনি একা নির্বাচনে লড়বেন, নাকি অন্য কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোট করবেন সেই বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি। তেজপ্রতাপের কথায়, “আমরা একা লড়ব নাকি অন্য দলের সঙ্গে জোট করব, সেই বিষয়টি খুব শিগগিরই ঠিক করা হবে।”

রবিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তেজপ্রতাপ জানান, পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তাঁর দল অংশ নেবে। কোন প্রার্থী কোন আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন, তা নিয়েও শীঘ্রই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি জানান, খুব শিগগিরই তিনি পশ্চিমবঙ্গে আসবেন এবং দলের সংগঠন ও নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করবেন।

শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, বিহারের বিধান পরিষদ নির্বাচনেও তাঁর দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে বলে জানান তেজপ্রতাপ। তিনি বলেন, পটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে তাঁর দলের কয়েকজন প্রার্থী জয়ী হয়েছেন, যা দলের জন্য ইতিবাচক বার্তা।

উল্লেখ্য, ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ’ এবং ‘পারিবারিক মূল্যবোধ ক্ষুণ্ণ করার’ অভিযোগে লালুপ্রসাদ যাদব তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র তেজপ্রতাপকে পরিবার এবং দল থেকে বহিষ্কার করেছিলেন। এরপরই তেজপ্রতাপ নিজের নতুন রাজনৈতিক দল ‘জনশক্তি জনতা দল’ গঠন করেন। ‘ব্ল্যাক বোর্ড’ প্রতীক নিয়ে বিহার বিধানসভা নির্বাচনে লড়লেও জেজেডি তেমন সাফল্য পায়নি।

তবে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই করার সিদ্ধান্ত সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, তেজপ্রতাপের প্রাক্তন দল লালুপ্রসাদ যাদবের আরজেডি বর্তমানে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’-র অংশ। এই জোটে পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসও রয়েছে, ফলে ভবিষ্যতে রাজনৈতিক সমীকরণ কীভাবে বদলায় তা নিয়ে জল্পনা বাড়ছে।

Related Articles