কলকাতারাজ্যের খবর

উত্তরবঙ্গে শুরু প্রাক-বর্ষার বৃষ্টি, দক্ষিণবঙ্গে কেমন থাকবে আবহাওয়া?

বৃষ্টির পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিবেগে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইবে

Truth of Bengal: ভারতের মূল ভূখণ্ডে বর্ষা প্রবেশের মাহেন্দ্রক্ষণ অবশেষে সমাগত। আলিপুর ও দিল্লির মৌসম ভবনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ বৃহস্পতিবারই কেরলে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বা বর্ষা প্রবেশের সম্ভাবনা অত্যন্ত জোরালো। কেরলের পাশাপাশি লাক্ষাদ্বীপ এবং তামিলনাড়ুর কিছু অংশেও একই সঙ্গে বর্ষা ঢুকে পড়তে পারে। সাধারণত ভারতে বর্ষা প্রবেশের স্বাভাবিক সময় ১ জুন হলেও, এবার আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে বেশ কিছুটা আগেই পা রেখেছিল মৌসুমি বায়ু। আবহাওয়া বিজ্ঞানীদের অনুমান ছিল, মে মাসের শেষ দিকেই মূল ভূখণ্ডে বর্ষা এসে যাবে। তবে কিছুটা বিলম্ব হলেও আজই কেরলে বর্ষার আনুষ্ঠানিক আগমন ঘটতে চলেছে।

কেরলে বর্ষা ঢোকার মুখে এ রাজ্যেও আবহাওয়া পরিবর্তনের স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলছে, তবে তা আপাতত উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির জন্যই স্বস্তির খবর বয়ে এনেছে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে প্রাক-বর্ষার (Pre-Monsoon) বৃষ্টি। আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই এবার গরম ও অস্বস্তি কাটিয়ে ঝড়-বৃষ্টির দাপট শুরু হতে চলেছে। আজ বৃহস্পতিবার থেকে আগামী সপ্তাহের মঙ্গলবার পর্যন্ত পাহাড়ে বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টি চলবে। ঝড়-বৃষ্টির জেরে এই উইকেন্ডে (শনিবার ও রবিবার) উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা একধাক্কায় ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমে যেতে পারে। বৃষ্টির পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিবেগে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইবে।

উত্তরের কোন জেলায় কবে বৃষ্টির সম্ভাবনা, দেখে নিন একনজরে: জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলা। উত্তর দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলা। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহার জেলা। জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলা। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়ি জেলা।জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহার জেলা। উত্তরবঙ্গ যখন প্রাক-বর্ষার বৃষ্টিতে ভিজতে চলেছে, তখন দক্ষিণবঙ্গের ভাগ্যে কিন্তু এখনই বড় কোনও স্বস্তি নেই। হাওয়া অফিস স্পষ্ট জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে তীব্র গরম এবং আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিকর আবহাওয়া বহাল থাকবে। তবে এর মাঝেই স্থানীয়ভাবে মেঘ তৈরি হয়ে কিছু কিছু এলাকায় বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।