Coupon Controversy: বেশি দামে ভোগের কুপন বিক্রি, নালিশ পূর্ব বর্ধমানে সর্বমঙ্গলা মন্দিরে
Bhog coupons at Sarbamangala Temple often end before the stated time, prompting locals to buy them at a premium from flower and prasad vendors.
Truth Of Bengal: সর্বমঙ্গলা মন্দির থেকে ভোগের কুপন মেলে ৫০ টাকায়। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের আগে সেই কুপন শেষ হয়ে যায় বেশিরভাগ সময়ই। তখন মন্দিরের সামনের চত্বরে থাকা ফুল-মিষ্টি ব্যবসায়ীদের কাছে বেশি দামে ওই কুপন পাওয়া যায় বলে অভিযোগ সোমনাথ পালের(Coupon Controversy)। তার বাড়ি বর্ধমানের তেলমারি পাড়া এলাকায়। সম্প্রতি সর্বমঙ্গলা মন্দিরের কাছে বর্ধমানের তেলমারুই পাড়ার এক যুবক সমাজমাধ্যমে এ নিয়ে সরব হয়েছেন। সেখানে অনেকে একই অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। সর্বমঙ্গলা মন্দিরের ট্রাস্ট বোর্ডে পুরপ্রধান, জেলা প্রশাসনের কর্তারা রয়েছেন। মন্দিরের ট্রাস্ট বোর্ডের সম্পাদক, পেশায় আইনজীবী সঞ্জয় ঘোষ রয়েছে “শুধু মন্দির থেকে ভোগের কুপন কাটার জন্য সচেতন করতে ফ্লেক্স তৈরি করানো হচ্ছে এমনই খবর জানা যায় কমিটির সদস্যদের কাছ থেকে। দু’এক দিনের মধ্যে টাঙানো হবে সেই নোটিশ”।
[আরও পড়ুনঃ Sports Bill: মিলল রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষর, আইনে পরিণত হল ক্রীড়া বিল]
মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, দু’টি পর্যায়ে ভোগের কুপন দেওয়া হয়। কেউ আগে ২০-৩০টি কুপন নিয়ে গেলে বাধা দেওয়া সম্ভব কী ভাবে, ধন্দে তাঁরাই। মন্দির কমিটির প্রধান পুরোহিত অরুন ভট্টাচার্য জানান তাদের পক্ষে কোনভাবেই জানা সম্ভব নয় বাইরে ফুল মিষ্টি ব্যবসায়ীরা কত দামে বিক্রি করছেন ভোগের কুপন, তবে যদি কোন ভাবে জানতে পারেন অবশ্যই তারা কড়া হাতে ব্যবস্থা নেবেন(Coupon Controversy)। অভিযোগকারী সোমনাথ পাল ওই যুবক সমাজমাধ্যমে দাবি করেছেন, কুপন সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত পাওয়া যায় বলে লেখা রয়েছে। কিন্তু ১০টা নাগাদ তিনি গিয়ে জানতে পারেন, কুপন শেষ। তাঁকে জানানো হয়, ফুল-ডালা বিক্রেতাদের কাছে কুপন আছে। তিনি সেখানে গেলে দাবি করা হয়, অন্তত ২০০ টাকার পুজোর ডালি কিনলে কুপন পাওয়া যাবে।
FB POST: https://www.facebook.com/truthofbengal
সর্বমঙ্গলা মন্দিরে ওতপ্রোত ভাবে প্রধান পুরোহিত আরো বলেন এটা মন্দিরের বদনাম হচ্ছে যারা মন্দিরের নাম করে এরকম ধরনের কাজ করছে, সেটা কোনভাবেই মেনে নেয়া সম্ভব নয়(Coupon Controversy)।, আমাদের কাছে এমন কিছু অভিযোগ আসেনি বাইরে এরকম কাজ হচ্ছে। আরো জানা যায় “সচেতন করতে ফ্লেক্স লাগাতে বলা হয়েছে। বাইরে কারও কাছে কুপন কিনলে তার দায় মন্দির কর্তৃপক্ষের নয়।” অভিযোগকারী কাছ থেকে জানা হবে কোন দোকানদাররা এরকমভাবে বেআইনিভাবে কুপন বিক্রি করছেন তারপরেই মন্দিরের ট্রাস্ট বোর্ডে কমিটির পক্ষ থেকে”ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” যদিও এই বিষয়ে সর্বমঙ্গলা মন্দিরের বাইরে যে সমস্ত ফুল মন্ডা বা পুজোর ডালি নিয়ে বিক্রি করেন তারা এই বিষয়টি পুরো এড়িয়ে যান এবং তারা বলেন আমরা কুপন নি এটা ঠিক তবে বেশি দামে বিক্রি করি না কিছু কিছু গ্রাহক রয়েছে যারা দেরি করে মন্দিরে আসেন তাদেরকে আমরা দামে দামে বিক্রি করি, আমরা বেশি দামে বিক্রি করি না আমাদের কাছে ফুলমালা কিনলেই আমরা তাদের এই পরিষেবা টা দি।




