Nomination Mayhem: ভাঙড়ে মাদ্রাসা ভোটের মনোনয়ন ঘিরে উত্তেজনা, এলাকায় বোমাবাজি করার অভিযোগ
In Bhangar, a bomb scare erupts at the nomination filing site as ISF alleges TMC-backed goons attacked candidates ahead of madarsa elections, igniting political unrest.
Truth Of Bengal: ইয়ামুদ্দিন সাহাজী, ভাঙ্গড়: মাদ্রাসা ভোটকে ঘিরে সোমবার ভাঙড়ে তীব্র অশান্তির পরিস্থিতি তৈরি হল। অভিযোগ উঠেছে, মনোনয়নপত্র জমা দিতে এসে চরম হামলার শিকার হলেন আইএসএফ প্রার্থী ও কর্মীরা(Nomination Mayhem)। দুপুর একটার মধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা নির্ধারিত ছিল। ঠিক তার আগেই ভাঙড় কলেজ মোড়ে বোমাবাজির ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। আইএসএফের পক্ষ থেকে অভিযোগ, ভাঙড় থানার সামনে প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিতে দাঁড়িয়ে থাকাকালীনই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁদের উপর চড়াও হয়। বেধড়ক মারধর করা হয় ছ’জন প্রার্থী সহ একাধিক কর্মীকে। বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ। আইএসএফ নেতৃত্বের দাবি, এর পিছনে স্পষ্ট রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে, যাতে বিরোধী প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিতে না পারেন।
[আরও পড়ুনঃ Irfan Pathan: ধোনির পর এবার চ্যাপেলকে নিয়ে বিস্ফোরক করলেন ইরফান]
অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, এই সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন। উল্টে তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, আইএসএফের দুষ্কৃতীরাই এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি করতে বোমাবাজি করেছে(Nomination Mayhem)। এ প্রসঙ্গে ভাঙড়ের তৃণমূল পর্যবেক্ষক সওকাত মোল্লা জানান, “আমাদের দলের কোনও যোগ নেই। দিনের আলোয় আইএসএফের দুষ্কৃতীরাই বোমা মেরেছে। প্রশাসনকে অনুরোধ করছি, এর উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।” পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, তৃণমূলের ৬ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন, তাঁদের ফুলের মালা পরিয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
FB POST: https://www.facebook.com/truthofbengal
তবে আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী পাল্টা অভিযোগ করেছেন প্রশাসনের বিরুদ্ধেই। তাঁর বক্তব্য, “আমাদের কর্মী-সমর্থকদের জমায়েত করতে প্রশাসন দেয়নি, অথচ তৃণমূলের লোকজনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। থানার সামনেই আমাদের প্রার্থীদের দাঁড় করিয়ে রেখে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে(Nomination Mayhem)। পুলিশ বাইরে বার করার পরেই আমাদের প্রার্থীদের বেধড়ক মারধর করা হয়। এমনকি শওকত মোল্লার নেতৃত্বে বোমা মারা হয়েছে এলাকায়, আর তার দোষ চাপানো হচ্ছে আইএসএফের উপর।” নওশাদ সিদ্দিকী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “এই অন্যায়ের শেষ দেখে ছাড়বো।” মাদ্রাসা ভোটের মনোনয়ন ঘিরে এই সংঘর্ষের ঘটনায় আবারও উত্তপ্ত হল রাজনৈতিকভাবে।






