
The Truth of Bengal:মহাষষ্ঠীর পুণ্যপ্রভাতে মহাপুজোর শুভ সূচনা হল বেলুড় মঠে। কল্পারম্ভের দ্বারা সূচিত হল মায়ের আগমন। বেলুড় মঠের রীতি অনুযায়ী ষষ্ঠীর প্রত্যুষে মায়ের ঘাটে দেবী চণ্ডীকার মঙ্গল ঘটে পবিত্র গঙ্গা জল নিয়ে এসে নবনির্মিত দেবী মৃন্ময়ী মূর্তির পাশে স্থাপন করা হয়। সকাল থেকেই শুরু হয় কল্পারম্ভের পুজো। এরই মাধ্যমে সন্ন্যাসী ব্রহ্মচারীরা মাকে আহ্বান জানান বেলুড় মঠে অধিষ্ঠিত হওয়ার জন্য। সন্ধ্যায় দেবীর অধিবাস ও আমন্ত্রণ।
কল্পারম্ভের মাধ্যমে পাঁচ দিনের বেলুড় মঠের মহাপুজোর সূচনা হলো।মহাষষ্ঠীর ভোরে সন্ন্যাসী এবং ব্রহ্মচারী মহারাজরা শ্রীশ্রীমায়ের ঘাটে স্নান করে পবিত্র গঙ্গার জলপূর্ণ মঙ্গলঘট নিয়ে প্রথমে মায়ের মন্দিরে গিয়ে মাকে প্রণাম করেন। এরপর মাথায় করে সেই মঙ্গলঘট এনে চণ্ডীমণ্ডপে রেখে রীতি মেনে পুজো করেন। সন্ধ্যায় সেই ঘট মায়ের মৃন্ময়ী মূর্তির সামনে স্থাপন করে শুরু হবে মায়ের বোধন আমন্ত্রণ এবং অধিবাস।
বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা অনুসারে এবারেও দেবীর আরাধনা হচ্ছে। করোনার কারণে ২ বছর দুর্গাপুজোয় সাধারণ ভক্তের প্রবেশ নিষেধ ছিল বেলুড়মঠে। এবার আবার পুরনো ছন্দে ফিরেছে সব কিছু। বেলুড় মঠের পুজো দেখতে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিবছর হাজার হাজার মানুষ আসেন। তাদের জন্য থাকে ভোগের আয়োজনও। বেলুড় মঠের এই পুজো শতবর্ষ পেরিয়েছে। ঐতিহ্যবাহী এই পুজো শুরু হয়েছিল স্বামী বিবেকানন্দের হাতে। সবকিছু মিলিয়ে বেলুড় মঠের পুজোর ভক্তদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বের।
Free access






