খেলা

শেফালি-দীপ্তি-স্মৃতির অনবদ্য ব্যাটিংয়ে ভর করে ২৯৮ রান করল ভারত

কাজেই ২০২৫ সালে ঘরের মাঠে আয়েজিত বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচে ট্রফি জয়ের সুযোগটা কাজে লাগাতে পুরোপুরি তৈরি ছিল ভারতীয় দল

Truth Of Bengal: এই নিয়ে তৃতীয় বার একদিনের মহিলা ক্রিকেট বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচে মাঠে নেমেছিল টিম ইন্ডিয়া। এর আগে ২০০৫ ও ২০১৭ ফাইনালে উঠলেও ট্রফি জয়ের স্বাদ পায়নি ভারতীয় মহিলা দল। কাজেই ২০২৫ সালে ঘরের মাঠে আয়েজিত বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচে ট্রফি জয়ের সুযোগটা কাজে লাগাতে পুরোপুরি তৈরি ছিল ভারতীয় দল।

আরও পড়ুনঃ মোটরসাইকেলের ফুটরেস্ট থেকে ৪৬১.২৯০ গ্রাম সোনা উদ্ধার বিএসএফের, বাজার মূল্য ৫৫ লক্ষ টাকা!

ভারত সেমিফাইনালে ছন্দে থাকা অস্ট্রেলিয়ার বিশাল টার্গেট তাড়া করে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল। কাজেই ফাইনাল ম্যাচের আগে স্মৃতি-শেফালিরা যে আত্মবিশ্বাসে ভরপুর ছিলেন তা তাঁদের ব্যাটিং দেখেই বোঝা গিয়েছিল। এদিন ম্যাচের আগে বৃষ্টির কারণে নির্ধারিত সময় থেকে প্রায় দুই ঘন্টা দেরিতে ম্যাচ শুরু হয়। টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক। ক্রিজে প্রথম ব্যাট করতে এসেই নিজেদের ছন্দময় ব্যাটিং শিল্পে ভর করে ধীরে ধীরে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন স্মৃতি ও শেফালি। এই জুটিতেই ১০০ রানের গণ্ডি পার করে হরমনপ্রীত বাহিনী।

লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal

এরপর ১০৪ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ৪৫ রানের মাথায় স্মৃতি ট্রাইঅনের বলে ক্যাচ আউট হয়ে প্যাভেলিয়নে ফিরলে ক্রিজে আসেন অস্ট্রেলিয়া ম্যাচের হিরো জেমিমা। জুটি বাধেন শেফালির সঙ্গে। স্মৃতি অর্ধ্বশতরান করতে না পারলেও নিজের অর্ধ্বশত রান পূর্ণ করে ফেলেন শেফালি। হাফ সেঞ্চুরি পর শেফালির শট বাউন্ডারি লাইনে দাঁড়িয়ে তালুবন্দি করার চেষ্টা করলেও সফল হলেন দক্ষিণ আফ্রিকার ফিল্ডার। ফলে জীবন ফিরে পেলেন তিনি। জীবন পেয়ে দলকে ফের টেনে নিয়ে যেতে থাকেন টিম ইন্ডিয়ার এই ব্যাটার। কিন্তু এরপরই পেশির টান ভোগাতে থাকল তাঁকে। তাই শতরান থেকে মাত্র ১৩ রান দূরেই থামতে হল শেফালিকে।

চিত্রঃ সংগৃহীত

এদিকে সেমিফাইনাল ম্যাচে দুরন্ত ব্যাট করে দলের জয়কে নিশ্চিত করেছিলেন জেমিমা, কিন্তু ফাইনাল ম্যাচে মাত্র ২৪ রানেই থামতে হল তাঁকে। টিম ইন্ডিয়ার এই ব্যাটারের ওপর ভরসা থাকলেও চূড়ান্ত পর্বের ম্যাচে একপ্রকার হতাশই করলেন জেমিমা। এই তিনজন ব্যাটার ফিরে যেতেই ভারতের রানের গতিও শ্লথ হয়ে পড়ে। শেফালি ফিরতে ক্রিজে আসেন দীপ্তি। পর পর তিন ব্যাটার ফিরে যাওয়ার পর কিছুটা রানের গতি কমতে থাকে টিম ইন্ডিয়ার।

দীপ্তি যখন ক্রিজে সেট হতে চলেছেন, ঠিক সেই সময় ডিক্লার্কের বল পায়ে লাগলেও রিভিউতে রক্ষা পান ভারতীয় ব্যাটার। তবে ভারত এই জুটিতে ভর করেই ২০০ রানের গণ্ডি পার করে ফেলে। জেমিমার মত ফাইনাল ম্যাচে জ্বলে উঠতে ব্যর্থ হলেন অধিনায়ক হরমনপ্রীতও। অহেতুক একটি বাজে বলে শট খেলতে গিয়ে নিজের পাশাপাশি দলেরও বিপদ বাড়ালেন টিম ইন্ডিয়ার অধিনায়ক। মাত্র ২০ রান করেই মালাবার বল উইকেট ভেঙে দিল হরমনপ্রীতের।

অধিনায়ক ফিরে গেলে ক্রিজে আসেন আমনজ্যোৎ। কিন্তু না তিনিও ব্যর্থ হলেন রান পেতে। মাত্র ১২ রান করেই সাজঘরে ফেরেন তিনি। দলের রান তখন ২৫২। এরপর দীপ্তির সঙ্গে জুটি বাধেন রীচা। এদিকে শেফালির পর দ্বিতীয় ভারতীয় ব্যাটার হিসেবে অর্ধ্বশত রান পূর্ণ করে ফেলেন দীপ্তি। ৪৮ ওভারের শেষ লগ্নে এসে ব্যক্তিগত ৩৪ রানের মাথায় ফিরলেন বঙ্গ তনয়া রীচা। শেষ পর্যন্ত ৫৮ রানে ফিরতে হয় দীপ্তিকেও। এবং নির্ধারিত ৫০ ওভারে ভারতের সংগ্রহ সাত উইকেটের বিনিময়ে ২৯৮ রান।

 

 

Related Articles