খেলা

Cricket Controversy: উত্তেজক অঙ্গভঙ্গির জন্য আইসিসিতে বিসিসিআইয়ের নালিশ, বিপাকে হারিস রউফ ও সাহেবজাদা ফারহান

সূত্রের খবর, বুধবার আইসিসির কাছে অভিযোগপত্র পাঠায় BCCI, যেখানে দুই পাকিস্তানি ক্রিকেটারের "উস্কানিমূলক এবং অপেশাদার আচরণ" নিয়ে আপত্তি জানানো হয়েছে।

Truth of Bengal: এশিয়া কাপ ২০২৫-এর সুপার ফোর পর্বে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তানের হাই-ভোল্টেজ ম্যাচের পর তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। পাকিস্তানি খেলোয়াড় হারিস রউফ এবং সাহেবজাদা ফারহানের আচরণকে কেন্দ্র করে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (BCCI) আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (ICC)-এর কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেছে। সূত্রের খবর, বুধবার আইসিসির কাছে অভিযোগপত্র পাঠায় BCCI, যেখানে দুই পাকিস্তানি ক্রিকেটারের “উস্কানিমূলক এবং অপেশাদার আচরণ” নিয়ে আপত্তি জানানো হয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি ইতোমধ্যেই নিশ্চিত করেছে ICC (Cricket Controversy)।

আরও পড়ুনঃ আজকের দিনে ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্ক

পাকিস্তানি ব্যাটার সাহেবজাদা ফারহান, হাফ সেঞ্চুরি করার পর ‘বন্দুক ছোড়ার’ ভঙ্গিতে উদযাপন করেন, যা অনেকের মতে যুদ্ধ বা হিংসাত্মক ইঙ্গিতবাহী। এই অঙ্গভঙ্গিটি সামাজিক মাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে এবং ভারতীয় শিবিরে অসন্তোষের জন্ম দেয়। ফারহান, তবে নিজের আচরণে অনুশোচনার চিহ্ন দেখাননি। ম্যাচ-পরবর্তী এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “এই উদযাপন একেবারেই আবেগের বহিঃপ্রকাশ ছিল। আমি খুব কমই হাফ সেঞ্চুরি উদযাপন করি। আজ হঠাৎই মাথায় এল, আর করে ফেললাম। কে কীভাবে ব্যাখ্যা করবে, তা ভাবিনি।” তিনি আরও বলেন, “আমরা যেকোনো দলের বিরুদ্ধেই আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলতে চাই—শুধু ভারতের বিরুদ্ধে নয়।” অন্যদিকে, ম্যাচ চলাকালীন ভারতীয় গ্যালারি থেকে “কোহলি, কোহলি” স্লোগান উঠলে, পাকিস্তানি পেসার হারিস রউফ বিমান নামানোর মতো অঙ্গভঙ্গি করে বসেন, যা অনেকেই ভারতের সামরিক পদক্ষেপকে ব্যঙ্গ করার চেষ্টা হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন (Cricket Controversy)।

Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/share/1GbdnH1jqc/

উল্লেখ্য, এই “কোহলি” স্লোগানটি ২০২২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মেলবোর্নে কোহলির এক ঐতিহাসিক ছক্কার স্মরণে উঠেছিল। ম্যাচ চলাকালেই রউফ আরও উত্তেজিত হয়ে ভারতীয় ওপেনার অভিষেক শর্মা ও শুভমান গিলের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ান, যখন তারা ১৭২ রানের লক্ষ্যে আক্রমণাত্মক সূচনা করেন। আইসিসি জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। রউফ ও ফারহান লিখিতভাবে অভিযোগ অস্বীকার করলে, তাদের বিরুদ্ধে একটি আনুষ্ঠানিক শুনানির আয়োজন করা হবে। সে ক্ষেত্রে, তারা আইসিসি’র এলিট ম্যাচ রেফারি রিচি রিচার্ডসনের সামনে হাজির হবেন। তদন্ত শেষে যদি এই দুই ক্রিকেটার নিজেদের আচরণের পক্ষে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হন, তবে আইসিসি কোড অফ কন্ডাক্টের আওতায় তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা বা জরিমানা জারি হতে পারে (Cricket Controversy)।

Related Articles