অনুপ্রবেশকারীদের মদত! তৃণমূলের বিরুদ্ধে ‘তুষ্টিকরণের’ চরম অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর
আগামী বিধানসভা নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে মোদী দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে বাঙালি হিন্দুদের ইচ্ছাকৃতভাবে সংখ্যালঘু বানানোর ষড়যন্ত্র চলছে।
Truth Of Bengal: শনিবার ঐতিহাসিক ব্রিগেডের জনসভা থেকে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ‘অনুপ্রবেশ’ ও ‘জনবিন্যাস বদল’-এর অভিযোগে তীব্র আক্রমণ শানালেন প্রধানমন্ত্রী । আগামী বিধানসভা নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে মোদী দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে বাঙালি হিন্দুদের ইচ্ছাকৃতভাবে সংখ্যালঘু বানানোর ষড়যন্ত্র চলছে। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল সরকার ভোটব্যাঙ্কের স্বার্থে অনুপ্রবেশকারীদের মদত দিচ্ছে এবং তাঁদের ভোটার তালিকায় জায়গা করে দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর কথায়, “বাংলার মাটি, রুটি ও বেটির ওপর আজ অনুপ্রবেশকারীরা হামলা চালাচ্ছে,” আর এই কাজে পরোক্ষ মদত জোগাচ্ছে রাজ্য সরকার।
সিএএ (CAA) ইস্যু টেনে এনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার যখন শরণার্থী হিন্দুদের নাগরিকত্ব দিতে চায়, তখন তৃণমূল তার তীব্র বিরোধিতা করে। তাঁর দাবি, তৃণমূলের কাছে হিন্দুদের কোনো গুরুত্ব নেই তাদের আসল ভরসা হলো অনুপ্রবেশকারীরা। এমনকি ভোটার তালিকা সংশোধনের (SIR) প্রক্রিয়ায় রাজ্য সরকারের অনীহা আসলে অনুপ্রবেশকারীদের আড়াল করারই একটি কৌশল। মোদীর মতে, গত কয়েক দশকে বাংলার বহু এলাকায় পরিকল্পিতভাবে জনবিন্যাস বদলে দেওয়া হয়েছে, যা রাজ্যের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়।
তৃণমূলের ‘তুষ্টিকরণের রাজনীতি’র সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন যে, এক নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে দিয়ে সাধারণ মানুষকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। মহুয়া মৈত্রর বিতর্কিত মন্তব্য এবং মুখ্যমন্ত্রীর সাম্প্রতিক কিছু বক্তব্যের রেশ টেনে তিনি দাবি করেন, বিরোধীদের ‘বাঙালি নয়’ বলে দেগে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। সবশেষে মোদী হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই অরাজকতার অবসান ঘটবে এবং প্রতিটি অনুপ্রবেশকারী ও তাঁদের মদতদাতাদের কাছ থেকে পাই-পাই হিসাব নেওয়া হবে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাকে আবার উন্নয়নের পথে ফেরানোর প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।






